২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:৩৭

যশোরের কেশবপুরে বিদ্যুৎ কর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা

যশোর জেলা প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিল বকেয়ার কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ভাইয়ের নেতৃত্বে গ্রামের ৫০-৬০ ব্যক্তির হামলায় পল্লী বিদ্যুতের ৯ কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার বাউশলা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কেশবপুর জোনাল অফিসের বিদ্যুৎ কর্মীরা সোমবার উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের বাউশলা গ্রামে বিল বাকি থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যান। ৩-৪ মাস বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকায় ওই গ্রামের ফারুক হোসেনের সংযোগসহ ২০টি বাড়ির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারা ফিরে আসছিলেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের ভাই ফারুক হোসেন তাদের রাস্তায় আটকে বিদ্যুৎ সংযোগ কাটার প্রতিবাদ করেন এবং আবার সংযোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

কিন্তু বিল বিদ্যুৎকর্মীরা পুনঃসংযোগ দিতে রাজি না হওয়ায় ফারুকের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে বাউশলা বাজারে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা বিদ্যুৎ কর্মীদের বেধড়ক পিটিয়ে আটকে রাখে। হামলায় বিদ্যুৎকর্মী শেখ মিকাইল হোসেন (৪২), খায়রুল ইসলাম (৩৫), কাজী মহব্বত হোসেন (৪২), মোসলেম আলী (৫০), রমজান আলী (৪৫), কুমারেশ মিস্ত্রি (৩৫), রাজু আহম্মেদ (৫০), বিজয় (৩৮) এবং শেখ বিপু (৪০) আহত হন। এদের মধ্যে মিকাইল হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিল বাকি রাখা যাবে না, তা গ্রামের লোকজন জানে না। তারা না বুঝেই হামলা করেছে। আমি বিদ্যুৎকর্মীদের উদ্ধার করেছি।’
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেশবপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ছিদ্দিকুর রহমান জানান, অফিস আদেশে তার কর্মীরা বাউশলা গ্রামে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে ফেরার পথে রাস্তায় আটকে তাদের বেদম মারপিট করেছে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কুইকনিউজবিডি.কম/অভি/২৮শে মার্চ,২০১৭ ইং /সকাল ১১:৪৭