১৩ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৯শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:০৮

২ বছরেও চালু হয়নি বড়জোড়ার ছাত্রীদের আবাস

অনলাইন নিউজ : বড়জোড়া বালিকা বিদ্যালয়ের পাশেই গড়ে উঠেছে তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য একটি সুদৃশ্য দ্বিতল হস্টেল। ৫০ শয্যার হস্টেলটি গড়ার কাজ শেষ হয়েছে প্রায় দু’‌বছর আগে। খরচ পড়েছে ৯৫ লক্ষ টাকা। অথচ দু’‌বছরেও হস্টেলটি চালু হয়নি। ইতিমধ্যে জানলার অনেক কাচ ভেঙে পড়েছে। দু’‌বছর আগের করা রঙ প্রায় বিবর্ণ। জানলা ও দরজায় উই লেগে ক্ষতি হচ্ছে। প্রায় কোটি টাকায় এমন সুন্দর হস্টেল গড়া হলেও ছাত্রীরা সেখানে থাকার সুযোগ পাচ্ছে না।

২০১২ সালে বড়জোড়া হাই স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি আশ্বাস দিয়ে গিয়েছিলেন ওই হস্টেলের। এর পরই হস্টেলটির অনুমোদন পায় স্কুল। ২০১৪ সালের মাঝামাঝি মূল ভবনটি গড়ার কাজ শেষ হয়। এর পর পাঁচিল দেওয়া নিয়েই ঘটে বিপত্তি। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সঙ্গীতা মুখার্জি জানান, হস্টেলটির পেছনের অংশে বসবাসকারী কিছু মানুষ অভিযোগ করেন, তাঁদের যাতায়াতের রাস্তা দখল করে ওই দেওয়াল দেওয়া হচ্ছে।

যদিও স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি শুভাশিস গুহ জানান, দেওয়াল দেওয়া হচ্ছিল স্কুলের নিজস্ব জমিতেই। ওই বাসিন্দারা বিডিও–র কাছে অভিযোগ জানালে বিডিও স্কুলকে আপাতত দেওয়াল দেওয়া বন্ধ করতে বলেন। এর পর ওই বাসিন্দাদের নিয়ে বারে বারে মীমাংসার চেষ্টা হলেও কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। প্রধান শিক্ষিকা জানান, দরজায় উই লাগতে শুরু করেছে। ব্যবহার করা না হলে খাট ও বিছানাতেও উই লেগে সমস্ত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুভাশিসবাবু জানান, তিনি নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছেন, যাতে ওই বাসিন্দাদের সঙ্গে বসে মীমাংসা করা যায়। না হলে প্রায় কোটি টাকার এই সম্পত্তি শেষ হয়ে যাবে।

কুইকনিউজবিডি.কম/অভি/২৮শে মার্চ,২০১৭ ইং /সকাল ৯:২৪