২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৬:৪৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০: দোকান ও বাসা ভাঙচুর

ডেস্ক রিপোর্ট:: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক এমপি মুরাদ হাসান গ্রুপ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ এবং দোকান-পাট ও বাসা-বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় পৌর মেয়র রুকুনজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে অস্ত্র উঁচিয়ে প্রকাশ্য সশস্ত্র মহড়ার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত ছাত্রলীগ কর্মী ইমরান ও সোহেলকে উপজেলা স্ব্যস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সুত্র জানায়, রোববার দুপুরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সরিষাবাড়ী অনার্স কলেজ রোডে সাবেক এমপি মুরাদ হাসান গ্রুপ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ গ্রুপের কর্মী সমর্থকরা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুখোমুখি হয়ে পড়ে। এতে এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘষর্^ শুরু হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।


এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রোকুনুজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে হারুন অর রশিদের সমর্থকরা প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে প্রধান সড়কে মহড়া দেয়।

এ সময় আল-আমিন হোসাইন শিবলুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা পোস্ট অফিস চত্বরে সাবেক এমপি মুরাদ হাসান সমর্থিত যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান মানুর ফার্মেসি ও বাসাসহ ৫টি দোকান-পাট বাসা-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলে গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
থানার ওসি রেজাউল করিম খান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দোকান ভাঙচুর হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ অভিযোগ এড়িয়ে বলেন, ‘আমি ঘটনা শুনে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম মাত্র।’


পৌরসভার মেয়র রোকুনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি মহড়া দিয়েছি সত্য, তবে হামলা করিনি।’

কুইকনিউজবিডি.কম/রিয়াদ /১৩ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:১৩