১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৮:৪৬

দুই চাকুরী প্রত্যাশীর কাছে ২০লাখ টাকা দাবীর অভিযোগ অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে

মোঃ আইয়ুব আলী, নীলফামারী প্রতিনিধি: দুই চাকুরী প্রত্যাশীর কাছে ২০লাখ টাকা দাবীর অভিযোগ উঠেছে নীলফামারী আলিয়া(ফাজিল) মাদাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। ৩১ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে টাকা জমা না করলে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ওই দুই প্রত্যাশীকে চাকুরীতে যোগদান করাবেন না প্রয়োজনে পদ দুটি শুণ্য ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টরা।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, নীলফামারী আলিয়া(ফাজিল) মাদ্রাসার প্রভাষক(আরবী) শুণ্য তিন পদের বিপরীতে ১৭ডিসেম্বর চুড়ান্ত তিন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। চড়–ান্ত ভাবে নির্বাচিতরা হলেন মোঃ হাবিবুল্লাহ, আব্দুল মালেক ও উম্মে হাবিবা।
মাদ্রাসায় যোগদানের জন্য গত ২৮ডিসেম্বর পর্যন্ত মোঃ হাবিবুল্লাহ ও আব্দুল মালেককে নিয়োগ পত্র দেয়া না হলেও ২৯ডিসেম্বর মাদ্রাসায় গিয়ে তারা জানতে পারেন তৃতীয় স্থানে থাকা অধ্যক্ষের মেয়ে উম্মে হাবিবাকে ১৭ডিসেম্বর নিয়োগ পত্র দেন অধ্যক্ষ।
কারন জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মার্কেন্টাইল ব্যাংক নীলফামারী শাখায় ১০লাখ করে দু’জনকে ২০লাখ টাকা জমা করণের নির্দেশ দেন।
বিষয়টি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডাঃ মমতাজুল ইসলাম মিন্টুকে জানানো হলেও তিনি একই কথা জানিয়ে ৩১তারিখের মধ্যে টাকা দিতে না পারলে ১লা জানুয়ারী ওই দুটি পদ শুণ্য ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়ে দেন তাদের।
আরবী বিভাগের প্রভাষক পদে চাকুরী প্রত্যাশী মোঃ হাবিবুল্লাহ অভিযোগ করেন, নিয়োগ পরীক্ষায় আমি প্রথম হয়েছি। টাকার কারণে আমাকে নিয়োগপত্র দেয়া হচ্ছে না। অথচ অধ্যক্ষের মেয়েকে ১৭ডিসেম্বরই নিয়োগ পত্র দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ঠ সব দফতরে অভিযোগ দিয়েছি। তার দাবী অতিদ্রুত আমাদের নিয়োগ পত্র দেয়া হোক। অপর চাকুরী প্রত্যাশী আব্দুল মালেক বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব নিয়ম কানুন অনুসরণ করা হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় আমি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছি। আজকের (৩১ডিসেম্বরের) মধ্যে নিয়োগ দেয়া না হলে আমরা বিপদে পড়ে যাবো।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মোঃ একরামুল হক জানান, তারা দু’জনই পুর্বের প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র দিতে পারছেন না। ছাড়পত্র না দিলে আমরা যোগদান করাতে পারবো না। তাদের সময়ও দেয়া হয়েছিলো। টাকার বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবী করেন তিনি।
জানতে চাইলে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডাঃ মমতাজুল ইসলাম মিন্টু জানান, ওই দু’জন পুর্বের প্রতিষ্ঠান থেকে ছাড়পত্র দিতে পারছেন না। যদি তাদের ছাড়পত্র ছাড়া নিয়োগ দেয়া হয় তাহলে নিয়ম বর্হিভুত কাজ হবে।

 

 

কুইকনিউজবিডি.কম/তপন/৩১শে ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং/দুপুর ১:১৯