২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:০৫

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী মৃত্যুর মুখে

 

সাইদুল আনাম, কুষ্টিয়া প্রতিবেদক : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরাঞ্চলে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির একটি বন্য প্রাণী বনবিভাগ কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় মরতে বসেছে। উদ্ধার হওয়ার দু’দিন অতিবাহিত হলেও বনবিভাগ কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারনে বন্য প্রাণিটি না খেয়ে অসুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ধাবিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের পূর্বচররামকৃষ্ণপুর গ্রামের আজিজুল হকের বাড়ি থেকে স্থানীয়রা বিরল প্রজাতির ওই বন্য প্রাণীটি উদ্ধার করে।
চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ জানান, পূর্বচররামকৃষ্ণপুর গ্রামের আজিজুল হকের বাড়ির হাস-মুরগির ঘরে ঢুকে একটি হিং¯্র বন্যপ্রানী হাস-মুরগি ও মুরগির ডিম খেয়ে ফেলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে হাস-মুরগি খাওয়ার জন্য ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী জাল দিয়ে ওই হিং¯্র প্রাণীটি আটক করে খাঁচায় বন্দি করে। হিং¯্র বন্যপ্রাণী আটক হওয়ার খবরটি দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হলে তিনি তৎক্ষনাৎ আটক হওয়া বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বনবিভাগ কর্মকর্তাদের জানান।
দৌলতপুর বনবিভাগ কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম জানান, বন্যপ্রাণী আটকের খবর পাওয়ার পর বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হলে তারা আজ বিকেলে (শুক্রবার বিকেলে) বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য বলেন। কাল সকালে (শনিবার সকালে) বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করার জন্য সেখানে আমরা যাব।
কালবিলম্বের বিষয়ে বনবিভাগের জেলা কর্মকর্তা আসলাম মজুমদার জানান, বন্যপ্রাণী আটকের খবর পাওয়ার পর ভেড়ামারা সার্কেলের বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাককে আটক বন্যপ্রাণীকে উদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ভেড়ামারা সার্কেলের বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে বলেন, চিলমারীর চরে ট্রলার যোগে যেতে হবে, বন্যপ্রাণীটি নিয়ে আসার জন্য খাঁচা বানাতে হবে। আর এসব করে যেতে তো একটু দেরী হতে পারে। তবে সমস্যা নেই দৌলতপুরের বনবিভাগের দায়িত্বে যারা আছেন তারা ঘটনাস্থলে বন্যপ্রাণীটি আনার জন্য চলে গেছেন।

 

 

কুইকনিউজবিডি.কম/ফারিয়া নুজহাত /৩০শে ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং/রাত ৮:০৬