ব্রেকিং নিউজ
১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১:৪০

গোপালগঞ্জে ১০ টাকা মুল্যের চাউল কালো বাজারে বিক্রি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নে ১০ টাকা মুল্যের চাউলের ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা কালো বাজারে চাউল বিক্রি করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নের সাধারন মানুষের মাঝে ১০ টাকা মুল্যের চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা সে চাউল সাধারন জনগনকে না দিয়ে তা কলোবাজারে বিক্রি করছে। গতকাল সোমবার গোপালগঞ্জ থেকে একদল সাংবাদিক কাঠি এলাকায় গেলে দেখতে পান ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা একটি মাহেন্দ্র গাড়ীতে করে প্রায় ৫/৬ বস্তা ১০ টাকা মুল্যের চাউল নিয়ে গোপালগঞ্জে রওনা হন।

তার পিছু নিয়ে সাংবাদিক দলটি দেখতে পান ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা ওই চাউল গোপালগঞ্জ শহরের একটি রাইস মিলে বিক্রি করে চলে যায়। এ সময় মিল কর্তৃপক্ষের সাথে সাংবাদিক দল কথা বলতে চাইলে মিল কর্তৃপক্ষ কোন কথা বলতে রাজী হয়নী।


এ ব্যাপারে মাহেন্দ্র গাড়ীর চালক শেখ জাহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের কে জানান, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা আমার কাছে আসে এবং বলেন আমার ৬ বস্তা চাউল গোপালগঞ্জে নিয়ে যেতে হবে আমি প্রথমে রাজী হয়নি পরে অনেক পিড়াপিড়ির কারনে রাজী হয়ে তার চাউল নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি রাইস মিলে নামিয়ে দিয়ে চলে আসি।

আমি যদি জানতাম এটা সাধারন জনগনের চাউল তা হলে আমি কখনো ওই চাউল আমার গাড়ীতে উঠাতাম না।
এ ব্যাপারে ১০ টাকা মুল্যের চাউলের ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ চাউল সাধারন মানুষ নিতে চায়না তাই আমি ওই চাউল বিক্রি করে আমার খরচ চালাই।

তিনি আরো বলেন আমি খুব অসহায় মানুষ আমার অন্য কোন জীবিকা না থাকায় আমি চাউল বিক্রি করে থাকি। এ সময় তিনি কয়েকবার উত্তেজিত হয়ে বলেন আমি ওই চাইল বিক্রি করি নাই আপনারা যা খুশি লেখেন তাতে আমার কিছুই হবে না। আমি অনেকদিন এই ডিলার শীপের সাথে জড়িত।


এ ব্যাপারে ডিলার মো: খায়রুল আলম মন্টু মোল্লার ছেলে পরিচয় দানকারী বক্কার মোল্লা তার ব্যবহৃত ০১৭০১-৭৭৪১৭৮ নম্বর থেকে মোবাইল করে বার বার সংবাদটি না করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, আমার বাবা খুব অসহায় মানুষ যদি কিছু করে থাকে তাহলে আপনারা তাকে মাফ করে দেন।

আপনারা চাউল বিক্রির সংবাদটি পরিবেশন করলে আমার বাবার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন প্রয়োজনে আমি আপনাদের সাথে যোগাযোগ করবো। ইতিপুর্বে আরো কয়েকজন সাংবাদিক এসেছিল তাদেরকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। আপনাদের কি লাগবে তাই বলেন।


এ ব্যাপারে কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাচ্চু শেখ বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি এলাকায় ফিরে ব্যবস্থা নেব। আপনার যদি কোন অভিযোগ পেয়ে থাকেন বা চাউল বিক্রির প্রমান পেয়ে থাকেন আপনার নিউজ করেন। আমি সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে আছি।

 

 

কুইকনিউজবিডি.কম/মুরাদ/১৭ই অক্টোবর, ২০১৬ ইং/সন্ধ্যা ৭:২২