১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:১৩

বুয়েট চাইলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে

 

ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্ররাই সব আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় থাকে। আমিও ছাত্ররাজনীতি করেই এখানে এসেছি। এখন একটা ঘটনা ঘটেছে বলেই ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে কেন? তবে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজেরা সেটি করতে পারে।  বুধবার বিকালে গণভবনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪ তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং ভারত সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধামনন্ত্রী এ কথা বলেন।

১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান ছাত্র সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলের আওতায় এনেছিলেন। এখন ছাত্ররাজনীতিকে আবারও আগের মতো স্বাধীন সংগঠন ঘোষণা করা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের তালিকা আছে, যা অন্য দলগুলোর নেই। ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন নয়।  তিনি বলেন, মাথা থাকলে মাথাব্যথা তো হবেই। যারা উড়ে এসে বসে, তাদের দেশের চিন্তা থাকে না। ছাত্ররাজনীতি থেকেই ধীরে ধীরে চরিত্র গঠন হয়। আদর্শ গড়ে ওঠে। দক্ষ নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্ররাজনীতি থেকেই।

বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন চলছে- এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ আছে। বুয়েট চাইলে তারাও নিষিদ্ধ করতে পারে। আমরা এতে হস্তক্ষেপ করবো না।  এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বের করে দেন, কোথায় কোথায় অনিয়ম হচ্ছে। আমি কোনো দলটল বুঝি না।  আবরার হত্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবরার হত্যার ঘটনায় আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে ফুটেজ সংগ্রহ করতে। সেখানে আলামত সংগ্রহ করতে। পুলিশ আমাকে ফোন করে জানায় তাদেরকে ফুটেজ নিয়ে আসতে দেয়া হচ্ছে না। তাহলে তাদের মধ্যে কি হামলাকারী কেউ ছিল?

শেখ হাসিনা বলেন, আমি ছাত্রলীগকে ডেকেছি। তাদেরকে বলেছি অভিযুক্তদের বহিষ্কার করতে। আমি জানি স্বজন হারানোর বেদনা কী? আমি আমার স্বজন হারিয়েছি। কত বছর পর বিচার পেয়েছি তা দেশের জনগণের ভুলে যাওয়া উচিত না।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৯ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং /বিকাল ৫:৫১