১৬ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১২:২৯

জামাল খুন হওয়া দেখে ফেলায় বাশারকে হত্যা করা হয়

 

ডেস্ক নিউজ : কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর সৈয়দ জামাল ও আবুল বাশার হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন বছর পর খুনের ক্লু উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল খুনি আনিছসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে খুন করা হয় সৈয়দ জামালকে। আর এ খুনের ঘটনা দেখে ফেলায় একই খুনিরা পরবর্তীতে খুন করে দারোয়ান আবুল বাশারকে। এই দুই খুনের ঘটনায় আনিছ এবং শহীদকে গ্রেফতার করা হয়।

আনিছকে জিজ্ঞাসাবাদে এই দুই খুনের রহস্য বেরিয়ে আসে। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আনিছ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা পিবিআই কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই কুমিল্লা ইউনিটের ইনচার্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওসমান গনি। পিবিআই কুমিল্লা ইউনিটের ইনচার্জ মোহাম্মদ ওসমান গনি জানান, অজ্ঞাতনামা আসামি ও ক্লু-লেস এ মামলা দুইটি গ্রহণের পর গত শনিবার বল্লভপুর গ্রামের মৃত শফিক মিয়ার ছেলে আনিছকে আটক করা হয়। সে হত্যা, মাদক, ছিনতাইসহ ১২টি মামলার আসামি। তাকে মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানিগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে আনিছ জানায়, মাদক ব্যবসায় বিরোধের জের ধরে শ্বাসরোধ করে সৈয়দ জামালকে হত্যা করে লাশ ওই ইট ভাটার পেছনে ফেলে রাখা হয়। এ হত্যার ঘটনা দেখে ফেলায় ২৫ দিন পর ইট ভাটার অফিস কক্ষে গিয়ে আনিছ ও তার সহযোগী বল্লভপুর গ্রামের শহীদসহ পাঁচজন মিলে বাশারকে মাদক সেবন করিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। রবিবার আসামি আনিছকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সে ও তার চার সহযোগী পৃথক ২টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

এ ঘটনায় ইতিপূর্বে পুলিশের হাতে আটক শহীদ জেল হাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে চারটি মামলা রয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে দুই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মতিউর রহমান ও পরিদর্শক কিশোর কুমার হাওলাদার।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং /বিকাল ৪:২৬