২১শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং | ৮ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৪:১৯

সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চান কুড়িগ্রামের অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী

 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের মনোনয়ন চেয়ে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী। একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। শপথ শেষে মন্ত্রী পরিষদও গঠিত হল। এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি নির্বাচনের পালা। সংসদীয় আসন-৩০২ ( মহিলা আসন-০২)

তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।  বাবা ছিলেন একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা।  মুক্তিযুদ্ধে ৬নং সেক্টরের অধীনে ফ্লাইং অফিসার ও ম্যাসেঞ্জার ছিলেন এবং তার বড় আব্বা মোঃ মফিজুল হকও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী’র স্বামী সমাজ সেবায় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত নুরনবী সরকার (যিনি সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান) কুড়িগ্রাম সদর। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চান।  বিশেষ করে কুড়িগ্রাম-২,সদর আসনে যেহেতু আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী না থাকায় জাতীয় পার্টির এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, সেহেতু তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইস্তেহার মোতাবেক কুড়িগ্রামে কাজ করতে চান। এই নিরীহ মানুষের জনপদে সাধারণ জনগণের জন্যে অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী নিবেদিত ভাবে সেবাদানের জন্যে আত্মনিয়োগ করতে চান।

বিশিষ্ট সমাজসেবিকা অধ্যাপিকা লাভলী’র প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে কুড়িগ্রামের সর্বত্রই চলছে আলোচনা। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ও রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এলাকার সাধারণ মানুষ। ইংরেজী বিষয়ের মেধাবী মাহবুবা বেগম লাভলী’কে কুড়িগ্রামের সাধারণ জনগণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায়।

সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আমৃত্যু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে থাকতে চান কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের বাসিন্দা সহকারি অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী।

অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি এলাকায় গরীব দুখী মানুষের পাশে থাকেন সব সময় এবং বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরিক্ষত আসনের একজন নির্বাচিত সদস্য। তাছাড়াও তিনি গত ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। কিন্তু এই আসনে মহাজোটের জাতীয়পার্টি একক ভাবে প্রার্থীতা লাভ করেছে।

ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ছিল তার অগাধ বিশ্বাস মাহবুবা বেগম লাভলী’র। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচীতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ রংপুর শাখা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য তিনি।

                                                অধ্যাপিকা মাহবুবা বেগম লাভলী

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে সদর ও রাজারহাট উপজেলার নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য লাভলী জেলার সকল স্তরের জনগণের জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি একজন নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীও তিনি। ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত জাতি ও সুশীল সমাজ ও নারী সংগঠনের অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং অসহায় মানুষের পাশে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

মাহবুবা লাভলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রত্যয়ন পত্র দিয়েছেন। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যদি আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে আমার মাধ্যমে কুড়িগ্রামবাসী উপকৃত হবে। তিনি আরও বলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনে আমাকে মনোনয়ন দিলে কুড়িগ্রামের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সহ রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমি সবার উন্নয়নে কাজ করব ইনশাল্লাহ্।

কুড়িগ্রামের সচেতন মহল মনে করেন যেহেতু কুড়িগ্রাম-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের কোন এমপি নেই তাই আসনটি আওয়ামী লীগ’কে হয়ত দিবে। সেক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাহবুবা বেগম লাভলী’কে সংসদীয় আসন-৩০২, মহিলা আসন-০২ এ নির্বাচিত করতে পারেন।

এলাকাবাসীরা আরও জানায়, মাহবুবা লাভলী একজন খুবই দয়াবতী। অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়ানোই তার আসল কাজ। বিশেষ করে অসহায় গরীব দুখী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সম্পূর্ণ নিজ তহবিল হতে মেয়েদের পোশাক ও বেসরকারি বই প্রদান করেন এবং প্রতি বছর শিক্ষা সফর ও শিক্ষাণীয় বিষয় সমূহের উপর উৎসাহ প্রদান করে থাকেন।

কিউএনবি/আয়শা/১৩ই জানুয়ারি, ২০১৯ ইং/রাত ১২:৫৪