২৪শে জুন, ২০১৯ ইং | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:৪০

মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়রের হস্তক্ষেপে মানিকপুরের ৩ ফিট পাখি গলির রাস্তাটি এখন ৬ ফিটে বাস্তবায়িত হতে চলছে

 

শেখ মোহাম্মদ রতন, মুন্সীগঞ্জ : অবশেষে পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের হস্তক্ষেপে মানিকপুরের ৩ ফিট পাখি গলির রাস্তাটি এখন ৬ ফিট প্রশ^স্ত ও ৪০০ মিটার লম্বায় বাস্তবায়িত হতে চলছে। সোমবার বিকেলে পৌর মেয়র সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অদুরে পশ্চিম মানিকপুর বাসির দীর্ঘদিনের দাবীকৃত রাস্তাটি বাস্তবে রুপ দেন। এতে ওই এলাকার দীর্ঘদিন রাস্তা বঞ্চিত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছাস বিরাজ করছে।এলাকাবাসীরা জানান, সাবেক পৌর মেয়রের কাছে দফায় দফায় গিয়েও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছিলো এই এলাকার সাধারণ জনগন।

কতিপয় এক ব্যক্তি পাশের বাড়ির মালিকের সাথে আলাপ করে টাকা হাসিলের উদ্দেশ্য এই রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়।পরবর্তিতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য খুলে দেয়। পাখি গলির ডানপাশের বাড়ির মালিক পিছনের সাধারণ মানুষদের কে যাতায়াতের জন্য তিনফুট রাস্তা ছেড়ে দেয়াল নির্মাণ করেন।রাস্তার বামপাশের মালিকের বাড়িটা এমন পজিশনে তার বাড়ির কোনদিকে রাস্তা ছাড়তে হয়নি তাই সে রাস্তা ছাড়বে না। এলাকাবাসী দফায় দফায় তাকে বুঝাতে অক্ষম হয়েছে যে আপনি যদি রাস্তা না ছাড়েন তাহলে আপনি কার রাস্তা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হবেন। এবং আপনার এই ভাংগা দেয়ালে যদি কারো প্রান যায় তার দ্বায়-দায়িত্ব কে নিবে? সে কোন কথা শুনতেই নারাজ।

এলাকাবাসী কোন কুলকিনারা না পেয়ে বর্তমান পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের কাছে ছুটে যান।পৌরমেয়র তাদেরকে আশ^স্ত করে বলেন, পৌরসভায় বাড়ি করলে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়তে হবে সে যেই হউক। আপনারা ওই বাড়ির মালিকের কাছে গিয়ে বলেন রাস্তার জন্য জায়গা দিতে বলেছে পৌরসভা, তারপর কি বলে আমাকে জানাবেন।পৌর মেয়রের কথা অনুযায়ী রাস্তাবিহীন ভুক্তভোগী পশ্চিম মানিকপুরবাসী আবার বাড়ির মালিকের কাছে হন্য হয়ে ছুটে যায়, তারপর রাস্তা না ছাড়া ওই বাড়ির মালিক তাতেও সে রাস্তা না ছাড়ার কথা সাফ জানিয়ে দেন।

অত:পর রাস্তা না ছাড়ার কথা পৌর মেয়র কে অবহিত করলে সে পরে দেখবেন বলে তাদেরকে আসস্থ করেন। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পবিত্র রোজার ঈদের দিনে পাখি গলি দিয়ে এক কোমলমতি শিশু হেটে যাবার কিছুক্ষন আগে ভাঙ্গা দেয়ালের খন্ড অংশ নিচে পরে, অল্পের জন্য রক্ষা পায় এক কোমলমতি শিশু। তখন আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কিউএনবি/রেশমা/৮ই জানুয়ারি, ২০১৯ ইং/দুপুর ২:৪০

Please follow and like us:
0
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial