২২শে মার্চ, ২০১৯ ইং | ৮ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:০০

ময়লা আবর্জনার সাথে মুন্সীগঞ্জে বসবাস করছে পাঁচ শতাধিক পরিবার

 

শেখ মোহাম্মদ রতন, মুন্সীগঞ্জ স্টাফ রির্পোটার : েদীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ময়লা, আবর্জনা, আর দূগন্ধের অসহনীয় যন্ত্রণার সাথে যুদ্ধ করে যাদের জীবন যাপন, শত যন্ত্রণা আর বঞ্চনা-কে নিরবে মেনে নিয়ে। অসুস্থতা যাদের নিত্যসঙ্গী, হাজারো পোকা মাকড় আর বিষাক্ত প্রাণীর সাথে যাদের বসবাস, মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের কালীন্দী পাড়া এলাকায় স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের এমন করুন চিত্র নিয়ে। ঘড়ির কাটায় তখন সকাল ঠিক সাড়ে ৯টা অসহনীয় দূগন্ধ এড়াতে এভাবেই দুহাতে নাক,মুখ চেপে, দুপায়ে ময়লা পাড়িয়ে, প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয়, স্কুল ছাত্র সুমন,মিন্টু আর রাজুর মত আরো অনেক কে। শুধু তারাই নয় প্রতিনিয়ত এমন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে জেলার সদর উপজেলার মিরকাদিমের কালীন্দী পাড়া এলাকার স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, পথচারী, সহ শত শত মানুষকে। এছাড়া ও ময়লার স্তুুপ এর পাশেই গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক বসত ঘর,মসজিদ, মন্দির,সহ নূরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মত স্কুল।

স্থানীয়দের অভিযোগ পৌর এলাকায় নির্দিষ্ট কোন ময়লা ফেলার স্থান না থাকায় দীর্ঘ দিনের এমন ভোগান্তিতে নাকাল এলাকাবাসী, তবে কবে এসব সমস্যা থেকে কবে মিলবে মুক্তি তা হয়তো জানেন না কেউ। ময়লা আবর্জনা থেকে অসহনীয় দূগন্ধ, পোকামাকড়, মশা, মাছি, আর বিষাক্ত প্রাণীর প্রবণতা দিনে দিনে বেড়ে চলায়, অসুস্থতা এখন প্রায় অবর্জনার পাশে বসবাস কৃত প্রতিটি পরিবারে নিত্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে।মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মুহাম্মদ মুনির জানান, এমন ময়লা আবর্জনা থেকে ছড়াতে পারে কলেরা, ডাইরিয়া, ডেঙ্গু, চর্মরোগ সহ হতে পারে মরন ব্যাধি ক্যান্সারের মত মারাত্মক প্রাণ ঘাতী রোগ ও। মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন, বলেন, এমন সমস্যার কারনে ভেঙ্গে যাচ্ছে কিছু পরিবারের ছেলে, মেয়েদের বিয়ের সমন্ধ ও বলে অভিযোগ করছেন কেউ কেউ।

জনবসতি লোকালয়ে পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি কারক এমন ময়লা আবর্জনার স্তুুপ পরিবেশ আইনে কখনোই সমর্থন করে না বলে জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন। মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা বিষয় টি জানা ছিল বলে মন্তব্য করে জানান, মানুষের বসবাস কৃত স্থানে ময়লা ফেলা কখনোই গ্রহন যোগ্য নয়। পৌর মেয়র কখনোই এমন জনবসতি স্থানে পৌরসভার বর্য্য ফেলতে পারেন না বলে মন্তব্য করে, বিষয় টি সরজমিনে ক্ষতিয়ে দেখে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করার কথা বলেন তিনি।এমন সমস্যার কারনে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এমনটাই দাবী করে মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহীন জানান, যত দ্রুত সম্ভব এ সমস্যার সমাধান করে জায়গাটিতে শিশুদের জন্য পার্ক তৈরি করার ইচ্ছা রয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১লা জানুয়ারি, ২০১৯ ইং/সন্ধ্যা ৬:৩১