ব্রেকিং নিউজ
১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১২:৪৮

টিভি দেখে কাঁদেন কেন? জানুন…

 

বিচিত্র সংবাদঃ  আবেগ মানুষের একটি সহজাত বিষয়। কান্না সেই আবেগেরই একটি অংশ। টেলিভিশনে নাটক সিনেমা কিংবা ফিচারের কোনো লোমহর্ষক, বিয়োগান্তক ঘটনা কিংবা ভালোবাসার কোনো দুর্বল মুহূর্তে কেঁদে ফেলতে পারেন আপনিও। বিজ্ঞানী বা মনস্তাত্ত্বিকরা এ বিষয়টিকে মোটেও খারাপ কিছু হিসেবে দেখেন না। বরং একে স্বাস্থ্যকর হিবেবেই বিবেচনা করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, টেলিভিশনে প্রদর্শিত কোনো চরিত্রের সঙ্গে একীভূত হওয়ার বিষয়টি মোটেও অস্বাস্থ্যকর নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি সুস্থ মানসিক বিকাশে সহায়তা করে। এর কারণ হলো এই যে, কাল্পনিক কোনো ঘটনা বা চরিত্র আমাদের জীবন থেকে পৃথক করতে পারে না আমাদের মনস্তত্ত্ব। এই সম্পর্কই মানুষকে আবেগতাড়িত করে।

সুতরাং, ঘটনাপর্বের ভালো দিকগুলো গ্রহণ করুন এবং এর আবেগের সঙ্গে আপনিও একীভূত হয়ে যান। যে সম্পর্কের ভিত্তিতে মানুষ এমন আবেগতাড়িত হয় মনস্তাত্ত্বিকরা তাকে ‘ওয়ান ডিরেকশনাল’ বা একমুখী সম্পর্ক বলতে পছন্দ করেন।

ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে এই একমুখী সম্পর্ক কিংবা সিনেমার চরিত্রগুলোর সঙ্গে মিশে যাওয়ার এই ঘটনা দর্শককে নৈতিকতার দিকে ধাবিত করে। এটি তার আত্মবিশ্বাসের উন্নতি ঘটায় এবং একাকিত্ব দূর করে। এটি শুধু ভক্তকে আঘাত করে না, সেও চরিত্রের সঙ্গে ভেঙে পড়ে।

চরিত্র ছাড়া অন্য কারণেও পেতে পারে কান্না

অন্য কারণেও মানুষের ভেতর তীব্র আবেগ সঞ্চারিত হয় যা থেকে আপনার কান্না পেতে পারে। যেমন মাঠে দুদল খেলোয়াড়ের মধ্যে আপনার সমর্থিত দলটি জিতে গেল। এতে চোখে ঝরতে পারে আনন্দাশ্রু। আবার আপনার সমর্থিত দল হারলে তাদের কান্না সঞ্চারিত হতে পারে আপনার ভেতরও। অর্থপূর্ণ তীব্র আবেগময় দৃশ্য উপভোগের মাধ্যমে যে কেউ হতে পারে দয়ালু ও নিঃস্বার্থ পরায়ন ব্যক্তি বিশেষ করে শিশুরা।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

 কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/১৪.১১.২০১৮/দুপুর ১.৪৫