১৮ই জুন, ২০১৯ ইং | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:২৯

তিন পরীক্ষার্থীর দায়িত্বে ৩৮ জন

 

ডেস্ক নিউজঃ  চলমান জেএসসি পরীক্ষায় জীবননগরে দুটি কেন্দ্রে পুরাতন সিলেবাসের আওতায় পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন করে। আর কেন্দ্র দুটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৩ জন করে। দুই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীর নাম আব্দুল্লাহ আল শেহান এবং মো. ইব্রাহিম।জানা যায়, আব্দুল্লাহ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ইব্রাহিম জীবননগর উপজেলার কাশেম আলী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। শনিবার উপজেলার উথলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে আব্দুল্লাহ এবং মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইব্রাহিম পরীক্ষায় অংশ নেয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তর জানায়, ওই দুই পরীক্ষাকেন্দ্রে শনিবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা একজন করে হলেও এর জন্য প্রতি কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন ইউএনওর প্রতিনিধি হিসেবে একজন সরকারি কর্মকর্তা, কেন্দ্রসচিব, হল সুপারসহ পাঁচজন শিক্ষক, কক্ষ পরিদর্শক দুজন, একজন চিকিৎসক, দুজন পুলিশ সদস্য এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী দুজন। এ ছাড়া অন্যান্য দিনের মতো পরীক্ষা চলাকালে দুই কেন্দ্রের আশপাশেও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

অন্য দিকে উথলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়কেন্দ্রের সচিব প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘জেএসসি পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ২০১৭ সালে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও তার বাবা মারা যাওয়ায় পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এ কারণে পুরাতন সিলেবাস অনুযায়ী তাকে এ বছর অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে শনিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে। সে মতে পরীক্ষার্থী একজন হলেও বিধান মতো সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।’

অন্যদিকে রংপুরের একটি জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে দুজন হল পরিদর্শক, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন পুলিশ সদস্য, একজন আয়া, একজন চিকিৎসক এবং পাঁচজন পরীক্ষা কমিটির সদস্যসহ মোট ১২ জন নিয়োজিত ছিলেন। অথচ পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন। এমন ঘটনা ছিল গতকাল শনিবার রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই পরীক্ষার্থী নগরীর বুড়িরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গতকাল বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দুজন হলেও পরীক্ষা দেয় একজন।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রসচিব অধ্যক্ষ অধ্যাপক জালাল উদ্দিন আকবর বলেন, ‘জেএসসি পরীক্ষায় পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৯টি প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ২২ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম। গতকালের পরীক্ষায় দুই পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন অনুপস্থিত থাকে। তবে একজনের জন্য হলেও পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হয়।’ এ সময় তিনি এ বিষয়ে বিকল্প চিন্তা করে সমাধানের পথ বের করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান।

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/৪.১১.২০১৮/ দুপুর ১২.৩৫

 

Please follow and like us:
0
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial