১৮ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ৩রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:১৪

বীরগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল চৌধুরীর কবিতার বইেয়ের মোরক উন্মুচন

 

এন.আই.মিলন,দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল চৌধুরীর স্বরচিত “পিপাসিত চৈত্রের গান” কবিতার বই এর মোরক উন্মুচন ও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাতখামার গ্রামের নিজস্ব বাসভবনের বাগান বাড়ীতে ২৫ সেপ্টেম্বর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও গোলাপগঞ্জ কলেজের সাবেক সভাপতি আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল এবার স্বভাব কবি বাবুল চৌধুরী রুপে পরিচিতি লাভ করেন “পিপাসিত চৈত্রের গান” নামক কবিতার বইয়ের মোরক উন্মুচন ও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করার মাধ্যমে।

গোলাপগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কবি বাবুল চৌধুরীর স্বরচিত কবিতার বই “পিপাসিত চৈত্রের গান” মোরক উন্মুচন করেন। মরিচা মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রোকুনুজ্জমান চৌধুরীর মিঠু’র সভাপতিত্বে বিষেশ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ আবেদ আলী, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিলন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও কলামিষ্ট মোঃ মোশাররফ হোসেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বীরগঞ্জ শাখার সাধারন সম্পাদক বিপুল চন্দ্র রায়, গোলাপগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক রবিউল ইসলাম, মোঃ আব্দুল কাদের, আমিনা করিম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃঞ্চ চন্দ্র সরকার, পাথরঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থানেশ্বর রায়, সাতখামার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিত্যানন্দ রায়, একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফনিন্দ্র নাথ রায়, মরিচা মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইউসুফ আলী, সাতখামার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মানিক চন্দ্র সরকার, নাগরগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার সহ সুপার মোঃ রশিদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বক্তাগন উদয়মান সভাব-কবি সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করাকে ওমর (মরন উত্তর জীবিত থাকা) আখ্যা দিয়ে বলেন, এই প্রকৃতিকে খ্যাতনামা কবি-সাহিতিকের ভাবনার সাথে শতভাগ মিল রেখে পল্লী থেকে গ্রামীন বৈচিত্রকে প্রতিটি কবিতার ছন্দে ছন্দে মিল রেখে প্রেম ও ভালবাসা তথা দেশ ও জাতীকে তুলে ধরা হয়েছে। অসাধারন কবিতার বই প্রতি মাসে প্রতি বছরে রচনা করে খ্যাতনামা কবি সাহিত্যিকদের ছুয়ে দেবার আহবান জানান।
উদয়মান সভাব-কবি বাবুল চৌধুরী তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় জানান, মুলত ১৯৭১ সালে শোওয়ার ঘরে, বাগান বাড়ীতে, পুকুরপাড়ে ও নদীর ধারে বসে বসে কবিতা লিখেছি।

কর্ম জীবনে শহরে বসবাস ও গ্রামে ফিরে আসা-যাওয়ার কারনে শতশত কবিতার দলিল হারিয়ে ফেলেছি।২ বছর আগে আবার নুতন করে অবসর সময়ে কবিতা লিখা শুরু করে শতাধিক কবিতার একটি পান্ডলিপি ঢাকার সুনামধন্য সময় প্রিন্টাস ২২৬/১ ফকিরাপুল মতিঝিল এর পরিচালক ফরিদ আহমেদ এর কাছে জমা দিয়েছিলাম। জমা দেয়া পান্ডলিপি থেকে ৯৬টি কবিতা “পিপাসিত চৈত্রের গান” কবিতার বই-এ স্থান পেয়েছে।

উল্লেক্ষ, আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী (স্বভাব কবি বাবুল চৌধুরী) দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাতখামার গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম নুরুদ্দীন আহম্মেদ চৌধুরী বৃটিশ সরকারের আমলে ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট ও জুরি বোর্ডের সদস্য ছিলেন।

তিনি বীরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আনোয়ারুল হক চৌধুরী ও মরিচা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মরিচা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলালের ভাই।এছাড়াও তিনি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৫৫