১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৭:০৭

এএফসি বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

 

স্পোর্টস ডেস্ক : একটু স্বস্তির ঢেকুরই তোলা যায় বলা যায়। মেয়েদের সাফ ব্যর্থতার পর এএফসি ফুটবলে ফিরে এসেছে মারিয়া-তহুরা-আঁখিরা। অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কিশোরিরা।

‘এফ’ গ্রুপের বাছাইপর্বে ভিয়েতনামই বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষই ধরা হচ্ছিল। কোচ গোলাম রব্বানি ছোটনের ‍মুখেও সতর্কবার্তা। সতর্ক না হয়েও উপায় আছে? প্রথম তিন ম্যাচে ২৫ গোল করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। যৌথভাবে বাংলাদেশও চ্যাম্পিয়ন।

আশ্চর্য হলেও সত্য, বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম দুই দলই সমান সংখ্যক ২৫ গোল করেছে। ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেও দুই দল। শঙ্কাটা সে জায়গায়। চ্যাম্পিয়ন ও সেরা দুই রানার্সআপই সুযোগ পাবে মূল পর্বে থাইল্যান্ডে।

সেটাই করে দেখালো মেয়েরা। সাফ ব্যর্থতা ঝেড়ে ফিরে এসেছে বাঘিনীরা। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল ভিয়েতনামকে হারিয়ে বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। আর জায়গা করে নিয়েছে থাইল্যান্ডে বসতে যাওয়া মূল পর্বে।

ম্যাচে যতটা উত্তাপ থাকার কথা ছিল তার ছিটেফোঁটাও ছিল না মাঠে। বলতে গেলে ম্যাচের পুরো লাগামই ছিলো মারিয়া-আঁখি-শামসুন্নাহারদের হাতে। আধিপত্য রেখে খেলেছে কিশোরিরা। যদিও গোল পেতে সময় লেগে গিয়েছিল প্রথমার্ধ্বের শেষে। ৪৬ মিনিটে ভিয়েতনামের ডিবক্সেরভেতরে জটলা থেকে বল বেরিয়ে যায় গোলবার মুখে। মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান তহুরা বেগম। তাতেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে নেমে নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলতে থাকে ছোটনের শিষ্যরা। তার ফল আসে ৬৩ মিনিটে। মারিয়ার কর্নার থেকে হেড করেন আঁখি খাতুন। বল ভিয়েতনামের গোলরক্ষকের হাত ফসকে গেলে দুইবারের চেষ্টা বল জালে জড়ান আঁখি। এরমধ্যে আরও বাংলাদেশের আরও দুটি গোল বাতিল হয় অফসাইডে।

এর আগেও ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েই অনূর্ধ্ব–১৬ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নাম লিখিয়েছিল বাংলাদেশ। সঙ্গে গত বছরের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন, হংকংকে জকি কাপে চ্যাম্পিয়ন, ভুটানে সাফ ফুটবলে রানার্সআপ এরপর আবার এএফসি বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন। দুরন্ত মেয়েদের জয়রথ ছুটছেই।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৫৭