২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:৫৫

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৮৯ সেন্টিমিটার ওপরে

ডেস্ক নিউজ:  সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৮টি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এতে তাদের সীমাহীন দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে।

বসতবাড়ি প্লাবিত হওয়ায় দুর্বিষহ জীবন কাটছে বানভাসি মানুষের। চুলো জ্বলছে না অনেক বানভাসির পরিবারে। খেয়ে-না-খেয়ে চলছে তাদের জীবন। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

উঁচু জায়গা না থাকায় নৌকায় খোলা আকাশের নিচে কাটছে অনেকের সংসার। গবাদিপশুর সঙ্গে একঘরে রাত কাটাতে হচ্ছে তাদের। দুর্গম অঞ্চলগুলোতে এখনো পৌঁছায়নি সরকারি ত্রাণ-সহায়তা, যা দেওয়া হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনা অপ্রতুল।

শরীরে ঘা-চুলকানিসহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বানভাসি মানুষ। কাজীপুরের নতুন খাসরাজবাড়ী গ্রামটি প্রায় ১৫ দিন ধরে পানির নিচে তলিয়ে গেলেও এখানে কোনো সরকারি সহায়তা পৌঁছায়নি।
নৌকায় আশ্রয় নেয়া রুস্তম খাঁ, আবদুস সালাম, বাবলু, সাঈদ, ইসমাইল ও আলমানি আকন্দ জানান, আট-নয় দিন ধরে যমুনার পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন মাইজবাড়ী, খাসরাজবাড়ী, চর বুরুঙ্গী, উজান মেওয়াখোলা, ভাটি মেওয়াখোলা, মাইজবাড়ী, ঢেকুরিয়াসহ চরাঞ্চলের অর্ধশতাধিক গ্রাম পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। প্রথম ঘরে বাঁশের মাচা তৈরি করে থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু ধীরে ধীরে বাঁশের মাচাও ডুবে যায়।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ওয়ালী উদ্দিন জানান, এ পর্যন্ত ১৩ লাখ টাকা ও ৩৭০ টন চাল বিতরণ ও দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ত্রাণের আওতায় নেওয়া হবে।

কুইকনিউজবিডি.কম/এস/৩১.০৭.২০১৬/৯.৪৭