১৬ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ১লা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:২৫

এখনও দু’টি ট্রলারসহ নিখোঁজ ১৮ জেলে

ডেস্ক নিউজ : বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় বাগেরহাটের শরণখোলার দুইটি ট্রলারসহ ১৮ জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে এই ঘটনা ঘটে। 

ভারতীয় জেলেদের উদ্ধার করা শরণখোলার এফবি মারিয়া-১ ট্রলারের ৯ জেলেকে হিরণ পয়েন্টের দু’টি ট্রলারে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে এই ট্রলারের ৮ জেলে ও শরণখোলার ইউনুচ শিকদারের অপর একটি ট্রলারের ১০ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি। আজ রবিবার সকালে নিখোঁজ জেলেদের পরিবার ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সুন্দরবনসহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেওয়া সকল মাছ ধরা ট্রলার সকাল থেকে সাগরে ফিরতে শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সুন্দরবন বিভাগ।

বাগেরহাটের শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী বিলাশ রায় কালু জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে তার এফবি সাগর-১, মালেক মোল্লার এফবি শাওন, তহিদুল তালুকদারের এফবি আজমীর শরীফ-১, এফবি মারিয়া -১ ট্রলার ও ইউনুচ শিকদারের অজ্ঞাতনামা একটি ট্রলারসহ ৪টি ট্রলার ৬০জন জেলে নিয়ে নিখোঁজ হয়।   

তহিদুল তালুকদারের ট্রলার দু’টি হিরণ পয়েন্টের চালনা বয়া এলাকায় তিনদিন পরে পাওয়া যায়। এছাড়া, মালেক মোল্লার ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরের বঙ্গবন্ধুর চরের একটি খালে আশ্রয় নিয়েছিল। ডুবে যাওয়া এফবি মারিয়া-১ ট্রলারের ৯ জেলেকে হিরণ পয়েন্টের কাছাকাছি চালনা বয়া এলাকায় শরণখোলার দু’টি ট্রলারে তুলে দিলে তারা শনিবার রাতে মোংলায় পৌঁছায়। নিখোঁজ ১৮ জেলের বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

শরণখোলা উপজেলা জাতীয় মৎস্য সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, এখনো নিখোঁজ ১৮ জেলেদের পরিবার ও স্বজনরা উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। মৎস্য সমিতি, আঁড়ৎ ও মহাজনদের কাছে বারবার ছুটে আসছেন খবর জানার জন্য। আমরাও বিভিন্ন মাধ্যমে খবর জানার চেষ্টা করছি।

মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লে. জাহিদ আল হাসান জানান, কোস্টগার্ড সুন্দরবনের দুবলা ও কচিখালী কন্টিনজেন্টের সদস্যরা দু’টি টিমে ভাগ হয়ে নিখোঁজ জেলে ও ট্রলারের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন। 
কিউএনবি/অনিমা/২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/বিকাল ৩:৪২