১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৬:২৬

বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও উৎক্ষেপণে দেশের অন্যতম প্রধান একটি কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। প্রতিবেশী রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন বুধবার তেমনটিই জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি পালন করলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ওই কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন কিম। দুই কোরিয়ায় শান্তির জন্য চুক্তিতে সই করেছেন কিম-মুন।

পিয়ংইয়ংয়ে কিমের সঙ্গে বৈঠকের পর মুন বলেছেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা একমত হয়েছি।

উপদ্বীপে সামরিক শান্তির পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন কিমও। যুদ্ধহীন এক যুগের আশা দেখিয়েছেন মুন।

গত এপ্রিলে দুই নেতা এ বিষয়টি নিয়েই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। বৈঠক শেষে কিম বলেন, সারা পৃথিবী দেখতে চায়, দ্বিধাবিভক্ত এ জাতি নিজেদের জন্য কীভাবে নতুন ভবিষ্যৎ নিয়ে আসতে চলেছে।

কিম জানান, দ্রুতই তিনি সোলে যাবেন। সেটিও রেকর্ড। কারণ কিমের বাবা, কিম জং ইল সোল যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কখনও গিয়ে ওঠেননি।

দুই দেশের প্রতিরক্ষাপ্রধানও ১৭ পাতার চুক্তি সই করেন। তাতে বলা রয়েছে, পরস্পরের বিরুদ্ধে সব রকমের হিংসাত্মক কার্যকলাপ বন্ধ হবে।

এই সূত্রেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন বলেছেন, কোরীয় উপদ্বীপে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করার মতো সব রকম আশঙ্কা মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ।

দুই প্রেসিডেন্ট যে যে বিষয়ে একমত হয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে— ২০৩২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজনে দুই দেশই সক্রিয় ভূমিকা নেবে, আগামী বছরের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে তৈরি হবে রেল ও সড়ক যোগাযোগ, ১ নভেম্বরের মধ্যে দুদেশের সামরিক বিভাজন রেখা বরাবর মহড়া বন্ধ করা হবে, এ বছরের শেষে অসামরিক এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের ১১টি ছাউনি সরিয়ে দেয়া হবে ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, বল এবার ওয়াশিংটনের কোর্টে। দুই কোরিয়ার চুক্তি সইয়ের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করেছেন, পরমাণু বিশেষজ্ঞদের ঢুকতে দিতে রাজি হয়েছেন কিম জং উন। আর এর মধ্যে কোনো রকেট বা পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নয়। উনি এখনও নায়ক…।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/ ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/দুপুর ১২:১৩