১৪ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩০শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:৫২

শার্শা মিথ্যা নাশকতা মামলা পুলিশের ভয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে রাত এলেই বাড়ি ছাড়া

 

মনিরুল ইসলাম মনি,শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা : মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে শার্শা থানা পুলিশ আবারো মিথ্যা,ষড়যন্ত্র ও নাশকতা মামলায় যশোর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওঃ আজিজুর রহমান সহ ২৮জনকে আসামী করেছে।এর মধ্যে ৫জনকে আটক দেখালেও পলাতক দেখানো হয়েছে ২৩জনকে।যে কারনে শার্শার সাধারন মানুষের মধ্যে পুলিশি ভয়, আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

সারা দেশে বিএনপি জামায়াতের ঐক্যবদ্ধতা, বিরোধী দলের উপর নির্যাতন, হামলা , মামলা, গুম, খুন সরকারকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এখন সরকারের একমাত্র ভর পুলিশের উপর। তাই আওয়ামীলীগের পক্ষে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে কিছু পুলিশ সদস্য অতি উৎসাহী হয়ে অসামনে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে শার্শায় ৮ দিনের ব্যবধানে গত ১ সেপ্টেম্বর ৩৮ জনকে ও ৮ সেপ্টেম্বর ২৮জনকে আসামী করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা কর্মিদের নামে মিথ্যা ,ষড়যন্ত্র মামলা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করে জানাযায় যে,গত ৮ সেপ্টেম্বর শার্শার সর্বজন শ্রদ্ধেও আলেম সমাজ সেবক ও রাজনীতিক মাওঃ আজিজুর রহমানকে পুলিশ বার বার মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও নাশকতা মামলা দিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে জনগন থেকে দূরে রাখছে। সূত্রে জানা গেছে, এ সরকারের আমলে ১০টি মামলা দেওয়ার পর গত ১ বছর বিরতি রেখে আবারো ১ ও ৮ সেপ্টেম্বর আবারো দুটি মামলা দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে গত ৮ সেপ্টেম্বও পুলিশের দেওয়া নাশকতা মামলায় দেখা গেছে বাগআঁচড়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ভোর ৫.১০ সময় নাশকতার জন্য মিটিংয়ের সময় পুলিশ ৫ জনকে আটক করে। এ সময় বাকী ২৩জন সহ অনেক আসামী পালিয়ে যায়।সরজমিনে দেখা যায় মাদ্রাসার একটি ছোট মাঠ। যার এক পূর্ব ও উত্তর পাশে মাদ্রাসা। পশ্চিম পাশে ৩তলা মসজিদ ও দক্ষিন পাশে ওজুখানা। এ সমজিদে ৫০.১০সময় ফজরের নামাজ শুরু ৫.২০ সময় নামাজ শেষ। প্রায় ৮০/৯০জন মুসল্লী সেখানে নামাজ পড়ে। অথচ নামাজ আদায়কারী মুসল্লী কেহই ঘটনাটি জানেন না।

অপরদিকে এ মামলায় যাদেরকে সাক্ষী করা হয়েছে তাদের বাড়ি ঘটনা স্থল থেকে ১কিলোমিটার দূরে। সূত্রে আরও জানাগেছে, আটককৃত ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে জানাগেছে, ৭ সেপ্টেম্বর রাতে অগ্রভুলোট গ্রাম থেকে মৃত আনোয়াররের ৩ ছেলেকে তাদের বাড়ি থেকে রাত সাড়ে ১০টার সময় বাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে এসেছে। অপর আসামীদেরকেও ঐ রাতে তাদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশী করে ধরে নিয়ে আসে পুলিশ। এ ঘটনায় শার্শার সাধারন মানুষের মধ্যে পুলিশি ভয় তাড়া করে বেড়াচ্ছে। পুলিশের ভয়ে অনেকে রাতে তাদেও বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না। অনেকে মাঠে জঙ্গলে রাতী যাপন করছে।

জানাগেছে অনেকে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মি রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চাকুরি করছে, অনেকে ভারতে আছে তাদেও নামেও মামলা হচ্ছে। বিষয়টি উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি প্রয়োজন। এ ব্যাপাওে শার্শা থানার অফিসার ইন-চার্জ মসিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কোন নিরপরাধ মানুষকে আটক করা হচ্ছেনা। যদি আটককৃত ও নাশকতা মামলার মধ্যে কোন নিরপরাধাধ ব্যাক্তি থাকে তাহলে তাদের বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে মামলা থেকে তাদেরকে অব্যহতি দেওয়া হবে।

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/১০ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৪১