২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:২৭

যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ছেন, বড় কোনও অসুখ নয়তো!

নিউজ ডেস্ক- রাতের ঘুম ঠিকঠাক হচ্ছে না। অনেক সময় ঠিকঠাক ঘুম হলেও অফিসের কাজের মাঝে ঢুলুনি, ট্রেনে-বাসে উঠেই ঘুম আর নাক ডাকা! চাইলেও ঘুমকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ার সমস্যাটির সমাধান নিচে আলোচনা করা হলো :

ঝিমুনি কেন : বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্লিপ অ্যাপনিয়া, ইনসমনিয়ার সমস্যা থাকলে অসময়ে যে কোনো স্থানেই ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা থাকে। ইনসমনিয়া মানে ঘুমের সময়ে ঘুম না হওয়া। শত পরিশ্রম করেও রাতে বিছানায় শুয়ে চোখে ঘুম নেই অথবা ঘুম এলেও তা একটানা হয় না। তাই ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তিভাব কাটে না। দিনের বেলা ঘুম পায়।

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার সমস্যা কিংবা কোনও কাজ করতে করতে চোখ বন্ধ হয়ে ঘুমিয়ে পড়লে স্লিপ অ্যাপনিয়া হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শ্বাসনালীতে ফ্যাট জমলে ও নাকের মাঝখানের হাড় বাঁকা হলে নাক ডাকার সমস্যা বা স্লিপ অ্যাপনিয়া হয়। কারণ এমন হলে শ্বাসনালীর নিচ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গা সঙ্কুচিত হয়ে ঘুমের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তাই নাক ডাকার সঙ্গে আচমকা ঘুম ভাঙে। এই সমস্যা হলে শ্বাসনালী দিয়ে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ব্রেনে পৌঁছায় না। তাই সারাদিনই ক্লান্তি-ঝিমুনিভাব থাকে। থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, পার্কিনসন, স্ট্রোক হলে ও সিরোসিস অফ লিভারের মতো অসুখ থাকলেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

সমাধান : সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে ভালো ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কতটা ঘুমালে শরীর সুস্থ থাকবে তা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন। যে যতটুকু ঘুমিয়ে সারাদিন সুস্থ বোধ করবে তার ততটা ঘুম খুব দরকার। ব্রেনের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখতে, ক্লান্তিভাব এড়াতে, স্বতঃস্ফূর্ত থাকতে প্রত্যেকেরই পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। তা না হলে মনোসংযোগের অভাব হয়, এনার্জি কমে, মেজাজ ঠিক থাকে না, অবসাদ বাড়ে। কাজ ও জীবনযাত্রার মান খারাপ হয়। তাই রাতের ঘুম কেমন হচ্ছে সেদিকে নজর রাখুন। অসময়ে ঘুমিয়ে পড়লে সজাগ হোন।

কিউএনবি/নিল/৯ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং /১৬ঃ১১