২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ১০:১০

সাহায্যের টাকায় বিএমডব্লিউ কিনে বিপাকে দম্পতি!

 

ডেস্ক নিউজ : নষ্ট হয়ে গেল সুন্দর একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আর অন্য প্রায় সব সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার গল্পের মতোই এর পিছনেও সেই অর্থই অনর্থের মূল।

জনি ববিট আর ক্যাটলিন ম্যাক্লিওরকে মনে আছে। সেই যুবতী, নিউজার্সিতে নিজের বাড়ি ফেরার পথে ফিলাডেলফিয়ার প্রায় জনমানবহীন রাস্তায় যার গাড়ির তেল ফুরিয়ে গিয়েছিল। রাতের অন্ধকারে অসহায় ক্যাটলিনের কাছে সেই সময় দেবদূত হয়ে এসেছিলেন ভবঘুরে জনি হবিট। 

নিজের শেষ সম্বল ২০ ডলার দিয়ে নারীকে এক বোতল পেট্রোল কিনে দেন তিনি, যাতে ক্যাটলিন বাড়ি ফিরতে পারেন। বাড়ি ফিরে পুরো ঘটনা স্বামী মার্ক ডিঅ্যামিকোকে জানান ক্যাটলিন।

বিপদের দিনের বন্ধু, গৃহহীন, নিঃস্ব জনির সাহায্যে এগিয়ে আসেন দম্পতি। তার নতুন বাড়ি, গাড়ি এবং চাকরির ব্যবস্থা করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গো ফান্ড মি’ সাইট খুলে অনলাইনে জনির জন্য সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। ১৪০০০ মানুষের পাঠানো সাহায্যে চার লাখ মার্কিন ডলার উঠেছিল ওই অনলাইন ফান্ডে। 

বিপদ আসে তারপরই। জনির অভিযোগ ছিল, ওই অর্থ দিয়ে বিএমডব্লুিউ কিনে বাকিটা পকেটস্থ করেছেন মার্ক-ক্যাটলিন। অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের পাল্টা অভিযোগ, মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে ওই অর্থের ২৫০০০ ডলার মাদকের পিছনে এবং দেনা মেটাতে খরচ করে ফেলেন জনি। বাকি অর্থ পরিবারকে পাঠিয়েছেন।

শেষ পর্যন্ত বিবাদ গড়ায় আদালতে। গত বুধবার নিউজার্সির এক আদালতে জনির আইনজীবী অভিযোগ করেন, জনি মাত্র ৭৫০০০ ডলার এবং ১৯৯৯ সালের একটি ফোর্ড রেঞ্জার গাড়ি ছাড়া কিছুই পাননি। 

মার্ক-ক্যাটলিনের আইনজীবীর পাল্টা দাবি জনিকে দু’‌লাখ ডলার দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারক। বৃহস্পতিবারই তদন্তে নেমে পুলিশ মার্ক-ক্যাটলিনের বিরুদ্ধে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে। এরপর তাদের নিউজার্সির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের নতুন কেনা বিএমডব্লুিউ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। 

তবে বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটরের অফিস থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, যেহেতু এই ঘটনাটির সঙ্গে মানুষের আবেগ জড়িয়ে তাই এখনই তারা কোনও চার্জ গঠন করেনি। তবে তদন্ত চলছে। জনির অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দোষীরা রেহাই পাবে না

গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা : গতকাল শুক্রবার সকালে বরিশালের গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চ পরিচালিত উপজেলা সদরের বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেন্ট যোসেফ স্কুলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাবেশের মূল সুর ছিল শিক্ষার মান উন্নয়নে ও নৈতিকতা গঠনে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ভূমিকা।

স্কুল ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি ফাদার লরেন্স লেকাভেলী গমেজের সভাপতিত্বে গতকাল সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী ক্যাথলিক ধর্ম পল্লীর প্রধান পাল পুরহীত ফাদার মিন্টু সমুয়েল বৈরাগী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক উত্তম দাস, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সুদান পান্ডে, মার্সেল রতন গুদা, রাশেদা খানম, লিপিকা জয়ধর।
বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিষ্টার শিল্পি পেরেরা (আরএনডিএম), সিষ্টার মল্লিকা রোজারিও (আরএনডিএম), প্রমুখ। সমাবেশ থেকে ম্যানেজিং কমিটি স্কুলের উন্নয়নে ও শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফল অর্জনের বিষয়ে অভিভাবকদের মতামত ও সু-পরামর্শগুলো গ্রহন করে।

 

কিউএনবি/আয়শা/৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৭:৪৯