২০শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৭:৫৯

সংস্কার হয়নি পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত রাঙামাটির সড়ক

 

ডেস্ক নিউজ : দেড় বছরেও সংস্কার হয়নি রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের বিধ্বস্ত সড়কগুলো। এরই মধ্যে পাহাড় ধসের বিপজ্জয় কাটলেও, ঝুঁকিমুক্ত হয়নি শহরের বিভিন্ন সড়ক। ক্ষতিগ্রস্ত সে সড়কগুলো এখন যেন মৃত্যুর ফাঁদ। দীর্ঘদিন যাবত মেরামত না করায় এসব সড়ক এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবুও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ভারি, মাঝিরি, ছোট, বড় সবধরণে যানবাহন। সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। কোন কোন সড়কের দু’পাশ ভেঙে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ১৩ জুন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তছনছ হয়ে যায় পুরো রাঙামাটি। পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত হয়ে যায় রাঙামাটির বিভিন্ন সড়কের ১৪৫টি স্থান। তার মধ্যে ১১৩টি স্থানে সড়ক ভেঙ্গে যায়। এছাড়া শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়ক ধসে গিয়ে সারা দেশের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় রাঙামাটির। সে সময় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-বান্দরবান ও রাঙামাটি-আসামবস্তী-কাপ্তাই সড়ক। সে ক্ষত সংস্কার না হওয়ার আগে এ বছরও বর্ষায় নতুন করে সড়ক ভেঙ্গেছে আরও ৬টি স্থানে। যার মোট পরিসংখ্যন দাঁড়ায় ১৫১টিতে। কিন্তু সংস্কার হয়নি একটিও। তাই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহনে হাজার হাজার যাত্রী।

রাঙামাটি অটোরিক্সা (সিএনজি) চালক সমিতির নেতা মো. বাবুল হোসেন বলেন, আকাঁ-বাকাঁ পাহাড়ি সড়কগুলো ভেঙ্গে যাওয়ায় মারাত্মক রূপধারণ করেছে। তাই প্রায় প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা। এ ব্যাপারে রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদ হোসেন বলেন, গেলো বছর ও চলতি বছর অতিবৃষ্টির কারণে ব্যাপক পাহাড় ধস হয়েছে। ভেঙ্গেছে বেশির ভাগ সড়ক। আমরা আপতত বালির বস্তা দিয়ে সড়কগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। তবে স্থায়ী কাজ করা না হলে এ সড়কগুলো ধরে রাখা সম্ভব না। তাই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের স্থায়ী কাজের জন্য ১৫১টি স্থানের নকশা তৈরি করে ২৩০ কোটি টাকার প্রকল্প সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫হাজার ২৭০ মিটার রিটানিং ওয়াল নির্মাণ করা হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৫৯