২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৭:১৩

আইসিবির ৫ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ মামলা

 

ডেস্ক নিউজ : শেয়ারবাজার কারসাজির মাধ্যমে ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)।

সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন। ১৩ মামলার মধ্যে ১টি মামলা হয় ৩০ আগস্ট। ওই মামলায় ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। মামলা দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আইসিবির দুই কর্মকর্তা ও আইএফআইসি ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে দুদক। পরে তাদের জেলে পাঠানো হয়।

সোমবার যে ১২টি মামলা হয়েছে তার সবকটিতেই ৩০ আগস্ট গ্রেফতার হওয়া আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজিসহ তিনজনের নাম রয়েছে। অপর দুজন হলেন- আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. এহিয়া মণ্ডল ও আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদ।

২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে শেয়ার কারসাজি করে প্রতারণার আশ্রয়ে আইসিবির কর্মকর্তাদের সহায়তায় ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় ১৫ আসামির বিরুদ্ধে।

গ্রেফতারকৃত তিন আসামি ছাড়াও মামলায় অপর যে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদের স্ত্রী নাসিমা আক্তার, আইসিবির গ্রাহক একেএম রেজাউল হক ও তার স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা, গ্রাহক লাইলা নুর, একেএম আতিকুজ্জামান, কাজী মাহমুদুল হাসান, শেখ মেসবাহ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সীমা আক্তার, মিসেস বুলবুল আক্তার, আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শরিকুল আনাম, মো. শামসুল আলম আকন্দ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ৬৫ কোটি ৭ লাখ টাকা ৫৮ হাজার ৯ ০৭ টাকা আত্মসাৎসহ ও বিশ্বাসভঙ্গ করে দণ্ড বিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯ ও দুদক আইন ৫(২) ধারার অপরাধ করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩রা সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং/ সন্ধ্যা ৬:৫০