১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১:৪৮

গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে চায় সীমান্ত ব্যাংক

 

ডেস্ক নিউজ : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের মালিকানাধীন সীমান্ত ব্যাংক তিন বছরে পর্দাপণ করেছে। সীমাহীন আস্থা শ্লোগানে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টম্বর বাণ্যিজিক ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তিন বছরে পর্দাপণ এবং দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আজ শনিবার রাজধানীর সীমান্ত স্কয়ারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ব্যাংকটি। এতে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুখলেসুর রহমান। এসময় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। 
এসময় তিনি বলেন, দুই বছরে ২৫ হাজার গ্রাহকের ব্যাংকটির আমানতের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৬শ কোটি টাকা। একই সময়ে ঋণ বিতরণ করেছে ৪৫০ কোটি টাকা। এক পয়সাও খেলাপি হয়নি এখনো। 
দেড় শতাধিক কর্র্মী নিয়ে যাত্রা শুরুর পর দুই বছরে ব্যাংটির ১৩টি শাখা খোলা হয়েছে। এরমধ্যে শহরে শাখা ৯টি, গ্রামে ৪টি। দুইটি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। চলতি বছর আরও তিনটি শাখা খোলা হবে গ্রামেই। এক বছর বছর পর থেকে মুনাফা করে আসছে ব্যাংকটি।
মুখলেসুর রহমান বলেন, আমরা আগ্রাসী ব্যাংকিং করছি না, উন্নয়নশীল ব্যাংকিং করছি। দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখা। কারণ গ্রামীণ অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। সীমান্ত ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবাকে প্রান্তিক সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
এ ব্যাংক থেকে বিজিবি সদস্য কিংবা তাদের পরিবারকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে। থাকবে পেনশন স্কিম, গৃহ নির্মাণ ঋণ, দুরারোগ্য রোগের জন্য চিকিৎসা সহায়তা। তবে এটা শুধুই বিজিবি’র ব্যাংক না, এটি তফসিলভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
কিউএনবি/আয়শা/১লা সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং /রাত ৯:৫১