২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:১৬

বিএনপির সভাপতি, সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, মালয়েশিয়া প্রবাসীসহ ৩৮ নেতাকর্মী বিরুদ্ধে মামলা পুলিশের কথিত নাশকতামূলক মামলা

 

তরিকুল ইসলাম ঝিকরগাছা (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের ঝিকরগাছা থানা পুলিশের দায়েরকৃত কথিত নাশকতামূলক মামলায় যশোর-২ আসনের সাবেক এমপি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, মালয়েশিয়া প্রবাসীসহ যুবদল ও ছাত্রদলের ৩৮ জন নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। ঝিকরগাছা থানার এস আই কামরুজ্জামান জিয়া বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেছে। যার নং-১৯, তারিখ-৩০/০৮/২০১৮ ইং। ধারা ৩/৪/৬ এর ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন তৎসম ১৫ (৩)২৫-ডি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতাআইন।

মামলার অন্য আসামী হলো, যশোর-২ আসনের সাবেক এমপি মুহাদ্দিস আবু সাঈদ, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশীদ, সাধারন সম্পাদক মোর্তজা এলাহী টিপু, তার ভাই (দীর্ঘ ৮বছর ধরে মালয়েশিয়া) উপজেলা যুবদলের সাদারন সম্পাদক মুজিবুল এলাহী মিঠু, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম, তার ভাই উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মুসা মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম কাদের বাবলু, যুবদল নেতা আয়ুব হোসেন মেম্বার, উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরাফাত কল্লোল, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাগুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তালেবের ছেলে বড় ছেলে মিল্টন ও ছোটছেলে উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান আব্দার, চাপাতলা গ্রামের বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের, পৌর বিএনপি নেতা আওয়াল উল ইসলাম রানা, হাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা যুবদল নেতা আল-আমিন, শিওরদাহ গ্রামের রিপন হোসেন, কামরুল ইসরাম, এরশাদ আলী, শহীদ নাজমুল ইসলামের বড়ভাই পৌর যুবদলের

সভাপতি নজরুল ইসলাম, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের জিম হোসেন ও রাশেদুল ইসলাম, ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজমুল হক নাজু, ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ইমরান সামাদ নিপুন, পদ্মপুকুর গ্রামের বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন, কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহির হোসেন ও তার বড়ভাই রায়হান, বামনআলীর আল-আমিন, জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা যুবদল নেতা শাহাজাহান আলী, এবং মনিরামপুর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের ইনতাজ সরদারের ছেলে হজরত আলী ও শরিফুল ইসলাম প্রমূখ। এছাড়া উক্ত মামলায় ৯ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, গদখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তবিবর রহমানের ছেলে হৃদয় হোসেন (৩২), উপজেলার নওয়ালী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মন্ডলের ছেলে বিএনপি নেতা আবু বাক্কার (৫০), কাদের মোল্লার ছেলে আব্দুস সালাম (৪৫), চান্দালীর ছেলে মোজাফ্ফার হোসেন (৩৮), বল্লা গ্রামের মুসা করিম ভাদুর ছেলে তরিকুল (৩০), বারবাকপুর গ্রামের রাজ্জাক সরদারের ছেলে শাহিন সরদার, বামনআলী গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে মিন্টু, সিন্টু ও কল্লোল। বাদি এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারন জনগন যাহাতে সুষ্ঠুভাবে তাহাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারে এবং সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যে আসামীরা পদ্মপুকুর স্কুল মাঠে রাষ্ট বিরোধী নাশকতামুলক কর্মকান্ড সংঘটনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করছিল।

এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ২টি বিস্ফোরিত জর্দ্দার কৌটা, ৭টি লোহার জালের কাটি, ৫ টুকরা লাল কসটেপ, ৬টি ইটের টুকরা, ৪টি কাঠের লাঠি, একটি সাদা প্লাষ্টিকের ব্যাগ, ২লিটার পেট্টোল, ৪টি হাতবোমা ও ৫টি হাসুয়া উদ্ধার দেখানো হয়েছে উক্ত এজাহারে। এদিকে উক্ত মামলার ১২ নং আসামী মুজিবুল এলাহী মিঠু দীর্ঘ ৮ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মরত রয়েছেন বলে তার পরিবারের দাবি। থানা পুলিশের দায়েরকৃত মামলায় তার নাম দেখে হতবাক হয়েছেন পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩১শে আগস্ট,২০১৮ ইং/বিকাল ৫:১৫