২২শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:৪৮

বিড়াল নিষিদ্ধ করা নিয়ে যত কাণ্ড!

 

ডেস্ক নিউজ : নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলে একটা ছোট গ্রাম গৃহপালিত সব বিড়ালকে নিষিদ্ধ করেছে। সেখানকার স্থানীয় পশুপাখিদের বাঁচাতেই এমন একটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কর্তৃপক্ষ চাইছে আইন করে ওই গ্রামে বিড়াল পোষা নিষিদ্ধ করবে, কিন্তু গ্রামবাসীদের কেউ কেউ এর বিরুদ্ধে হয়েছেন সােচ্চার।

উপকূলের ওমাওই গ্রামটির বাসিন্দাদের প্রায় সবারই এক বা একাধিক পোষা বিড়াল রয়েছে। ফসল ও বাড়ি ঘরে ইঁদুরের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে, কেউ বা শখের বসে বিড়াল পোষেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, বিড়ালের কারণে এলাকাটিতে জীব বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই বিড়াল পোষা নিষিদ্ধ করতে চান তারা। এ বিষয়ে নতুন একটি আইন করা হবে।
 
আইনটির প্রস্তাব করেছেন নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের (সাউথল্যান্ড) পরিবেশ দফতর। আইন অনুযায়ী সবার পোষা বিড়ালকে জন্মনিরোধক টিকা দেয়া হবে এবং কারো বিড়াল মারা গেলে নতুন করে সে আর বিড়াল সংগ্রহ করতে পারবে না।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বিড়ালের কারণে প্রতি বছর এলাকাটিতে লাখ লাখ পাখি ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণি মারা যায়। তারা বলছে, আমরা বিড়াল বিরোধী নই, কিন্তু পোষা বিড়াল বাড়ির বাইরে এসে কেন পশু-পাখির ক্ষতি করবে।

২০৫০ সাল নাগাদ নিউজিল্যান্ডকে প্রাণিদের জন্য নিরাপদ জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যদিও বাসিন্দাদের কেউ কেউ এই যুক্তি মানতে রাজি নন। 

নিকো জারভিস নামে এক বাসিন্দা বলেন, তিনটি পোষা বিড়ালের কারণে আমি ইদুরের উৎপাত থেকে রক্ষা পাই। বিড়াল তিনটি না থাকলে আমার বাড়ি ঘরে থাকা দায় হবে। তিনি কর্তৃপক্ষের এই পরিকল্পনাকে ‘পুলিশি রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

 

 

কিউএনবি/অায়শা/৩০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৭:৫৫