১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৬:৫২

একটি ব্রিজের অভাবে ১৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ: বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় বিগত ৫ বছরে স্কুল ছাত্রসহ ১০জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে ১৫ গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, জমিদার আমলে বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নে বসবাসরত তত্কালীন জমিদারদের জমির ফসল আনা-নেওয়ার জন্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৬০ ফুট প্রস্থ  কাঁচা সড়ক র্নিমাণ করা হয়। এই সড়ককে কেন্দ্র করেই শান্তিনগর, পাগলাপাড়া, বেতমারি, সেকেরচর ও নয়াপাড়াসহ ১৫টি গ্রামে জনবসতি গড়ে উঠে। বর্তমানে সড়কটি এলজিইডির অধীনে রয়েছে।
১৯৮৮ সালের বন্যায় এ সড়কের শান্তিনগর বিল নামক স্থানে ভেঙে বড় জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে নীলাক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিবছর ১টি করে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেন। বর্ষাকালে সেই বাঁশের সাঁকো দিয়েই জনসাধারণ চলাচল করতে থাকে। শুকনা মওসুমে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে। বর্ষার মওসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় বিগত ৫ বছরে স্কুল ছাত্রসহ কমপক্ষে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন ও আয়ুব আলী জানান, জনগুরুত্বের বিষয় বিবেচনা করে উল্লিখিত স্থানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি। কারণ বর্ষাকালে এই এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত থাকে। পাকা ব্রিজ নির্মাণের জন্য মানববন্ধন করেছি। উপজেলা প্রশাসনে অবেদন করেছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এ ব্যাপারে নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের মেম্বার ও শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দা  আব্দুর রহমান মুন্সি জানান, প্রতি অর্থ বছরেই এলাকার সাধারণ মানুষ এই স্থানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের দাবি করে থাকেন। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন তা আমলে নেননি।
বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রমজান আলী জানান, সড়কটির নিজস্ব আইডি খোলা হয়েছে। পাকা ব্রিজের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
কিউএনবি/অনিমা/২৯শে আগস্ট, ২০১৮ ইং/দুপুর :৩:৩৭