২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:৫৫

‘খালেদা জিয়ার মুক্তিতে জোরালো কর্মসূচি আসছে’

 

ডেস্কনিউজঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জোরালো কর্মসূচি আসছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেক দিনই কোনো না কোনো কর্মসূচি থাকে। আবারও কর্মসূচি আসছে। জোরালো কর্মসূচি আসছে। সময়মত সঠিকভাবে, সময়মতো জোরালোভাবেই ঠিক সময়ে দেখতে পাবেন কেমন কর্মসূচি আসছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ যৌথসভার আয়োজন করা হয়।

ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া উড়ে এসে রাজনীতিতে বসেননি। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার পর অনেকে ভেবেছিল বিএনপি শেষ, ভেঙে যাবে। কিন্তু তখন খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী পতাকা হাতে দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাই তো সরকারের ভাবনায় খালেদা জিয়া ও বিএনপি। কারণ সরকার বিএনপি ছাড়া কাকে মোকাবেলা করবে? বিএনপি ছাড়া কোনো দল আছে নাকি?

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বেশ কিছু দিন ধরে জাতীয় ঐক্যের কথা বলে আসছেন, এ নিয়ে গণমাধ্যমে নানা ধরনের খবর আসছে সেই প্রক্রিয়া কতদূর? -এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আপনাদের গণমাধ্যমের ওপরে আমাদের প্রচন্ড আস্থা। কিন্তু গণমাধ্যম কি তাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করছেন? এমন এমন তারা রিপোর্ট করছেন, নিউজ দিচ্ছেন, যা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। যেগুলো সঠিক নয় সেগুলো আপনারা বলছেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) তালিকা দিয়ে দিচ্ছেন সব মহলের। এটা আমার মনে হয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করবার জন্য, রাষ্ট্রকে নির্মাণ করবার জন্য গণমাধ্যমের যে ভূমিকা সেই ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করছেন না। এটা একটা ক্রান্তিকাল। এর ওপর নির্ভর করবে আগামী দিনগুলোতে এদেশে গণতন্ত্র থাকবে কী থাকবে না।

তিনি বলেন, বিএনপিকে ক্ষমতায় আসার জন্য নয়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করবার জন্য এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনে যদি বিএনপি না যায় তাহলে সে নির্বাচন কখনই গ্রহণযোগ্য হবে না, কোনো দিন হতে পারে না। সুতরাং নির্বাচনটাকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য, নির্বাচনকে অর্থবহ করার জন্য সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব রয়েছে, সেই সঙ্গে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ সকলের দায়িত্ব রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনের পাশাপাশি বিএনপিকে প্রতিহত করার প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমরা তো বলেছি প্রথম শর্ত খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে, তারপর নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষপ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

 

কিউএনবি/বিপুল/২৮শে আগস্ট, ২০১৮ ইং/দুপুর ১:৫৭