১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:৩৩

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে চামড়া কিনে বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

 

তোবারক হোসেন খোকন, দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানি দেয়া বিভন্ন পশুর চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ঐ সব ব্যবসায়ীরা সারা বছর চামড়া ব্যবসা না করলেও কোরবানির ঈদে গ্রামের প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করে বিভিন্ন হাট-বাজার ও বড় সড়কের কাছে নির্ধারিত স্থানে জমা করেন। পরে বড় ব্যবসায়ীদের কাছে তা বিক্রি করেন। তবে বেশি লাভের আশায় উচ্চমূল্যে চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া সংগ্রহ করে বড় ব্যবসায়ীদের আশায় বসে আছেন। কিন্তু ২দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও তেমন কোনো বড় ব্যবসায়ী তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছে না। আর যারা আসছেন তারা যে মূল্যে চামড়া কিনতে চাচ্ছেন তাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রতিটি চামড়ায় ২ থেকে ৩শ টাকা লোকসান দিতে হয়। তাই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উচ্চমূল্যের আশায় এখনও চামড়া নিয়ে বসে আছেন এলাকার বিভিন্ন স্থানে।

এ বিষয়ে উপজেলার কেরনখাল গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আলী আজিম উদ্দিন জানান, আমরা প্রতি বছর বিভিন্ন গ্রাম থেকে চামড়া কিনি। পরে বড় ব্যবসায়ীরা আসেন এবং আমাদের কাছ থেকে তা কিনেন। এতে প্রতি চামড়ায় ২ থেকে ৩শ টাকা লাভ হয়। কিন্তু এ বছর আমি ২৩টি চামড়া কিনে বড় ব্যবসায়ীদের অপেক্ষায় বসে আছি সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলো এখনো কেউ আসেনি। তাই কি করব ভেবে পাচ্ছি না। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, এ বছর ঢাকার ট্যানারি মালিকরা মূল্য নির্ধারণ করে না দেওয়ায় কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়িরা। অপরদিকে, এ জেলায় গত বছরের চেয়ে স্থায়ী ব্যবসায়ী কম থাকায় উচ্চমূল্যে চামড়া কিনতে সাহস পাচ্ছেন না অনেকেই। সেই সাথে এলাকার রাস্তা ঘাট ভালো না থাকায় ঢাকায় চামড়া পাঠানোতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে ব্যবসায়িদের। এ নিয়ে চরম অর্থ বিপর্যয়ে শংকায় রয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়িরা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের ধারণা এটা কোন না কোন সিন্ডিকেটের কাজ। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা।

 

কিউএনবি/বিপুল/২৩শে আগস্ট, ২০১৮ ইং/ দুপুর ২:১৯