২০শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৫:৩৭

ফাঁকা হতে শুরু করেছে ঢাকা

 

ডেস্কনিউজঃ প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে এরই মধ্যে রাজধানী ছেড়েছেন অধিকাংশ মানুষ। আর শেষ কর্মদিবসের কারণে যারা ছিলেন, তাঁরাও আজ সোমবার দুপুরে পর ভিড় জমিয়েছেন সদরঘাট লঞ্চ স্টেশন, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কিংবা রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে। আর এতে করে ঢাকা শহরের অধিকাংশ এলাকাই ফাঁকা হয়েছে গেছে। মহানগরীর ভেতরে কমে গেছে গাড়ির চাপ।

কাল বাদে পরশু পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদ এলেই বেশিরভাগ মানুষ স্বজনদের সান্নিধ্যে ছুটে যান গ্রামে। গত কয়েকদিনে সড়ক, নৌ, রেলপথে বাড়ি গেছেন হাজারো মানুষ। আজও ভোর থেকে রাজধানী ছাড়ছেন বহু মানুষ। আর এতেই বদলাতে শুরু করেছে ঢাকার চিত্র।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মিরপুর রোড, বিজয় স্মরণী, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যানবাহনের তেমন চাপ নেই। কমেছে লোকাল বাস চলাচল। ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা রয়েছে। আর হাটমুখী রয়েছে পশুবাহী ট্রাক।

এদিক থেকে কিছুটা স্বস্তিতে আছেন রাজধানীতে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও। গাড়ির বহর সামলাতে হাতের ইশারায় মিনিট গুনতে হচ্ছে না তাদের। কারওয়ান বাজার এলাকায় দায়িত্বপালনকারী ট্রাফিক পরিদর্শক খাদেমুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র ঈদের কয়দিনই ট্রাফিক সদস্যরা একটু স্বস্তি পায়। এ ছাড়া বাকি সময়গুলো কেমন যায় তা আপনারাই জানেন।

ঢাকায় গণপরিবহন কমে যাওয়ায় অবশ্য সমস্যায় পড়েছেন বাস, লঞ্চ ও রেলওয়ে স্টেশনগামী মানুষ। অনেকেই গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন গাড়ির জন্য। অনেকক্ষণ পর পর একটি বাস আসলে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন সবাই।

সদরঘাট যাওয়ার জন্য ফার্মগেটে অপেক্ষা করছিলেন খায়রুল আমিন। তিনি জানান, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করেও তিনি কোনো গাড়ি পাননি। সিএনজি চালকদের মধ্যে রয়েছে সেই পুরনো খামখেয়ালী।

এদিকে সদরঘাট, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী এলাকায় সকাল থেকেই ছিলো মানুষের ভিড়। আর যেসব এলাকায় পশুর হাট বসেছে, সেসব এলাকায় গাড়ি, মানুষ, গরু, বেপারী মিলে ঠাসাঠাসি অবস্থা।

 

কিউএনবি/বিপুল/২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং/রাত ৯:৫৯