২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:৫৯

কুড়িগ্রামে ইভটিজিং মামলা করে ধর্ষণের শিকার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী

 

রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। যৌন নির্যাতন ও অমানিবক শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে ধর্ষিত ছাত্রী বর্তমানে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষিত ওই শিক্ষার্থী চিলমারী থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মৌজা থানা (মন্ডলপাড়া) গ্রামের একরামুল হকের কন্যা এরিনা ইসলামকে পার্শ্ববর্তী ডাওয়াইটারী (ছিন্নমুকুল) গ্রামের মহসিন আলীর পুত্র শামীম মিয়া (২৩) দীর্ঘদিন যাবত নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ জুলাই চিলমারী থানায় একটি নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ওই শিক্ষার্থীর পিতা একরামুল হক।

এতে শামীম মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬/০৮/২০১৮ইং সকাল সাড়ে ৮টায় কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা হলে ওই শিক্ষার্থী বখাটে শামীম এর বাড়ির কাছে পৌঁছলে সে পথরোধ করে তার বন্ধুদের দিয়ে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ঘরের ভিতর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে সে আত্মচিৎকার করলে তার বন্ধুরা তাকে মারধর এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে।পরে সে নিস্তব্ধ হয়ে বাড়ি ফিরলে রক্তাক্ত শরীর দেখে পরিবারের লোকজন কি হয়েছে প্রশ্ন করলে সে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে।পরে মেয়ের বাবা একরামুল হক মেয়ের অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে, থানাহাট ইউপি মেম্বার সফিউল ইসলাম বিপ্লব বিষয়টি রফাদফার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ একরামুল হকের।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আরএমও ডা: শিপন সরদার মেয়েটির প্রাথমিক ধর্ষণের আলামতের কথা স্বীকার করেন।এ ব্যাপারে ধর্ষিতা এরিনা ইসলামের পিতা ইকরামুল হক জানান, আমি শ্রমিক মানুষ।আমার মেয়েকে যখন শামীম ইভটিজিং করতো তখন চিলমারী থানায় একটি মামলাও করেছি।যার নং-০৫, তাং-১৬/০৭/২০১৮ইং। কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেফতার না করায় সে দুঃসাহস দেখিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে।আমি মামলার করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।এ ব্যাপারে কথা হলে চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নাই।

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/১৮ই আগস্ট, ২০১৮ ইং/বিকাল ৫:৫৪