২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:৫৬

তিনদিনে কোন তথ্য না পাওয়ায় পুনরায় রিমান্ডের আবেদন

 

শামসুল ইসলাম সহিদ, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল ) প্রতিনিধি : দুস্কৃতিকারীদের কাছ থেকে সম্ভ্রম বাচাতে চলন্ত বাস থেকে পড়ে গার্মেন্টস কর্মী শিউলী বেগমের (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামী আরিফ খান ও সোহেল রানার কাছ থেকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে কোন ফলপ্রশু তথ্য পায়নি পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় মির্জাপুর থানা পুলিশ শিউলীর সহকর্মী আরিফকে দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে।

গত ২৬ জুলাই সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে বাস যোগে পুষ্টকামুরী চরপাড়া গ্রামের শরীফ খানের স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী শিউলী তার কর্মস্থল গোড়াই শিল্পাঞ্চলের কমফিট কম্পোজিট গার্মেন্টসে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বাসে আর্তচিৎকারের কিছুক্ষণ পর দেড় কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওয়ার কুমারজানী নামক স্থান থেকে শিউলীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।।

ঘটনার ১৫ দিন পর বাসটি আটক এবং মির্জাপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাস চালক রনি শেখ ও তার ছোট ভাই হেলপার সোহেল রানা ওরফে রানা শেখ সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে। রনি শেখ ও রানা শেখ নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার পাংখার চর গ্রামের মুক্তার শেখের ছেলে। শিউলীর সহকর্মী আরিফ মির্জাপুর উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী চরপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।

হেল রানা ও আরিফ খানকে পুলিশ তিনদিনের রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন ফলপ্রশু তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি।আরিফের দেয়া এলোমেলো তথ্যে পুলিশ এই ঘটনার সঠিক কোন তথ্য পাচ্ছেননা বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মিজান জানিয়েছেন। বাস চালকের ভাষ্য মতে আরিফই এই ঘটনার মুল। আরিফকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় দশদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একে এম মিজানুর হক বলেন দুই আসামীর তিনদিনের রিমান্ড শেষ হলেও এলোমেলো কথার কারনে সঠিক কোন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। আরিফকে পুনরায় দশদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ই আগস্ট, ২০১৮ ইং/রাত ৮:২২