১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ২:১৫

বগুড়ায় নার্স গণধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেফতার

 

ডেস্ক নিউজ : বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক সেবিকা (নার্স) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে দুপচাঁচিয়া থানায় মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন গ্রেফতার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া গাড়িবেলঘড়িয়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সাজু (২৮) ও খিহালী পশ্চিমপাড়ার আবদুর রহিমের ছেলে নাজিম (২০)। পলাতক দু’জন হলো, গাড়িবেলঘড়িয়া গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে বাবু (২০) ও একই গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে সোহান (২১)।

এজাহার সূত্র জানায়, দুপচাঁচিয়া উপজেলার রসুলপুর গ্রামের ওই তরুণী (১৮) দুপচাঁচিয়া মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নার্সের চাকরি করেন। বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাতায়াতের পথে বখাটে সোহান তাকে প্রেম নিবেদন ও এক পর্যায়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।গত ২৭ জুলাই বিকালে নার্স বাড়ি থেকে কাজে যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে আলতাফনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে সোহান ও এক তার একসঙ্গী তার পথরোধ করে। সোহান বিয়ের প্রস্তাব দিলে ওই নার্স রাজি হন। তালোড়া কাজী অফিসের যাওয়ার কথা বলে তাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরানো হয়।

সন্ধ্যার পর তাকে দোগাছি মানিকগঞ্জ মাঠের কাছে নিয়ে যায়। কাজী ডাকার নামে সোহান মোবাইল ফোন করে। রাত ৯টার দিকে অপর দুই আসামি সেখানে আসে। পরে রাত ১১টা পর্যন্ত ৪ জন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তরুণী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে চার ধর্ষক তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে জ্ঞান ফিরলে তিনি কর্মস্থলে যান এবং গণধর্ষণের বিষয়টি সিনিয়র নার্সদের জানিয়ে চিকিৎসা নেন।পরে আসামিরা আপোষের প্রস্তাব ও মামলা না করতে হুমকি দেয়। এ ঘঘটনায় নির্যাতিতা নার্স শনিবার দুপচাঁচিয়া থানায় প্রেমিক সোহান, তার বন্ধু সাজু, নাজিম ও বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দুপচাঁচিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযান চালিয়ে পৃথক স্থান থেকে আসামি সাজু ও নাজিমকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ওসি আবদুর রাজ্জাক মামলা ও গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ই আগস্ট, ২০১৮ ইং/রাত ৮:৪১