২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:৫১

সহপাঠীরা বলছেন ‘দুজনের মধ্যে প্রেম ছিলো’

 

ডেস্কনিউজঃ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তারা হলেন- মুমতাহেনা আফরোজ ও রোকনুজ্জামান রোকন। দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের (মাস্টার্স) শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে ধারনা করা হচ্ছে।

জানা যায়, ঝিনাইদহ শহরের ঝিনুক টাওয়ারে বাবা-মার সঙ্গে থাকতেন মুমতাহেনা আফরোজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুমতাহেনা তার নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। পরে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর শুনে ট্রেনের নিচে ঝাপ দেন রোকন। এতে তারও মৃত্যু হয়।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে রোকনের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের মতি মিয়া রেলগেট থেকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জিআরপি থানা পুলিশ। রোকন কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলা নামক স্থানে একটি ছাত্রাবাসে থাকতেন।

নিহত মুমতাহেনার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বালিয়াখালী গ্রামে। আর রোকনুজ্জামানের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানায়।

পরিবার ও সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, রোকন ও মুমতাহেনা মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করে ইন্টার্ন শিফট করছিলেন। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিকভাবে মুমতাহেনাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছিল। পরে পরিবারের সদস্যদের রোকনের বিষয়ে জানানো হলে তারা এ সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। একই সঙ্গে গত তিন দিন ধরে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল বলে জানিয়েছেন সহপাঠীরা।

এই দুজনের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ এমদাদুল হক।

 

কিউএনবি/বিপুল/১০ আগস্ট, ২০১৮/বিকাল ৫:৩৭