২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ২:২০

ইয়াবা কেলেঙ্কারিতে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তা ‘পালিয়েছে’

 

ডেস্কনিউজঃ চট্টগ্রাম নগরীতে বাসা থেকে ইয়াবা উদ্ধারের পর পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে পালিয়ে গেছে ঘটনায় বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সাইফুদ্দীন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে নগর পুলিশ। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে খন্দকার সাইফুদ্দীনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন র‌্যাব-৭ এর উপসহকারি পরিচালক (ডিএডি) নাজমুল হুদা।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, দুপুর পর্যন্ত সাইফুদ্দীন থানায় ছিল। এরপর তার বুকে ব্যাথা ওঠে। চারজন পুলিশ দিয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। সে পালিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, যে মামলা হয়েছে সেটার ফৌজদারি তদন্ত চলবে। তবে বিভাগীয় চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে আরও একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত এসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে নগর পুলিশের চকবাজার জোনের সহকারি কমিশনার নোবেল চাকমাকে। এ ছাড়া চকবাজার ও সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুজনকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোস্তাইন।

এর আগে সোমবার গভীর রাতে নগরীর পশ্চিম বাকলিয়ার হাফেজ নগর এলাকার হাজী গোফরান উদ্দিন মুন্সী বাড়িতে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে ১৪ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক বিক্রির ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৩০ টাকা ও একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব সদস্যদের দেখে পালানোর সময় নাজিম উদ্দিন মিল্লাত (৩৫) নামে একজনকে আটক করা হয়।

ইয়াবা উদ্ধারের পর র‌্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারী পরিচালক এএসপি মিমতানুর রহমান জানিয়েছিলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তার বাসাটিতে অভিযান চালানো হয়। তার পরিবারের সদস্যরা ওই বাসায় থাকে না। তারা অন্য ফ্ল্যাটে থাকে। ইয়াবা ব্যবসার জন্য সাইফুদ্দীন বাসাটি ভাড়া নিয়েছেন।

 

কিউএনবি/বিপুল/৩১শে জুলাই, ২০১৮ ইং/রাত ১১:০৪