২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:৫৫

এক চাঁদের যত নাম

চাঁদ নিয়ে কত সাহিত্য, কত জল্পনা-কল্পনা। কিছুদিন পরপরই চাঁদ নিয়ে শোনা যায় নতুন নতুন তথ্য। কিন্তু সাধের এই চাঁদও ক্ষেত্রবিশেষে পায় ভিন্ন ভিন্ন নাম। দেখে নিন কয়েকটি …

সুপার মুন
পূর্ণিমা তো প্রতি মাসেই হয়। জ্যোৎস্না আলোকিত রাত অতি কাঠখোট্টা মানুষের মনেও জাগায় প্রেমের আকুলতা। সেই পূর্ণিমার চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসে, তখন তাকে বলা হয় সুপার মুন। ফলে স্বভাবতই বছরের অন্যান্য পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে সুপার মুন আকারে বড় হয়।

ব্লাড মুন
চন্দ্রগ্রহণ দেখতে অনেকেই তাকিয়ে থাকেন আকাশের দিকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাদা চাঁদের অংশবিশেষ বা পুরোটাই ঢেকে যায় পৃথিবীর কালো ছায়ায়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে গ্রহণের সময় চাঁদ ধারণ করে টকটকে লাল রং। আর এই গ্রহণকেই ডাকা হয় ব্লাড মুন নামে। গবেষকরা বলেন, পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে গেলেও এই গ্রহণে সূর্যের কিছু আলো ঠিকই পৌঁছে যায় চন্দ্র পৃষ্ঠে। এটিই এই লাল রঙের কারণ।

ব্লু মুন
নাম ব্লু মুন হলেও এই চাঁদ কিন্তু নীল রঙের না। একই মাসে দু’বার পূর্ণিমা হলে, দ্বিতীয়টিকে বলা হয় ব্লু মুন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অবশ্য বাতাসে থাকা ধুলোবালি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে চাঁদ নীল রং ধারণ করে। কিন্তু সেটাকে ব্লু মুন বলা হয় না। প্রতি তিন বছরে একবার আসে ব্লু মুন।

সুপার ব্লাড ব্লু মুন
এটি খুবই বিরল ঘটনা। আকাশের চাঁদ একই সাথে সুপার, ব্লাড ও ব্লু মুনের বৈশিষ্ট্য ধারণ করলে সেটাকে সুপার ব্লাড ব্লু মুন বলা হয়। অর্থাৎ, মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমায় যখন চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসে এবং সেটি টকটকে লাল রং ধারণ করে, তখন সেটিকে সুপার ব্লাড ব্লু মুন নামেই ডাকা হয়।

ব্ল্যাক মুন
ব্ল্যাক মুনকে অবশ্য চাঁদ না বলে, চাঁদের অনুপস্থিতিই বলা ভাল। ব্ল্যাক মুনের নানা ধরনের সংজ্ঞার মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্যটি হলো, যে মাসে কোনো পূর্ণিমা হয়না, সেটিকেই ব্ল্যাক মুন বলা হয়। ২৮ দিনের মাস হওয়ায়, এ ঘটনা কেবল ফেব্রুয়ারি মাসেই ঘটতে পারে। ১৯ বছর পর পর আসে ব্ল্যাক মুন। সবশেষ ব্ল্যাক মুন এসেছিল এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। পরের ব্ল্যাক মুন আসবে ২০৩৭ সালে।

ডিডাব্লিউ থেকে

 

কিউএনবি/ অদ্রি / ৩০.০৭.১৮ / সকাল ১০.৫৯