১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৩৩

এক টানা ভারী বৃষ্টির কারণে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মোড় থেকে রশুনিয়া স্কুল পর্যন্ত বড় বড় খানা-খন্দের সৃষ্টি

 

শেখ মোহাম্মদ রতন, ষ্টাফ রিপোর্টার : মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মোড় থেকে রশুনিয়া স্কুল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় ভারী বৃষ্টির কারণে বড় বড় খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে।দেখে মনে হয় এযেন ছোট পুকুর বা ডোবায় পরিনত হয়েছে।এতে চরম ভোগান্তির স্কুল পরুয়া শিক্ষার্থীসহ স্বীকার হচ্ছে হাজারো মানুষ।

মুন্সীগঞ্জের সদও উপজেলা থেকে ঢাকা যাওয়ার এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় অসংখ্য যান বাহন চলাচল করছে।বিশেষ করে ইজি বাইক বা রিক্সার যাত্রীদের প্রতিদিনই ঝুৃকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তাটি দিয়ে।

রাস্তাটি বেস কয়েকমাস ধরে নাজেহাল অবস্থায় রয়েছে।দেখার যেন যেন কেউ নেই এমনিটই বলছেন যাত্রীরা।এ রাস্তাটি সংস্কার না করা হলে সাধারণ মানুষে ভোগান্তির শেষ নেই তেমনি দূর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।

গত বছর এ রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও ভারী বৃষ্টি, মালবাহী ট্রাক, বাস, মাহিন্দ্রা চলাচলে ফের বড়-বড় গর্তের রাস্তাটি যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সিরাজদিখান বাসীর চাওয়া এই রাস্তাটি যেন দ্রুত সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করে দেওয়া হয়।

ইজি বাইকের এক চালক বলেন, আমরা যাত্রী নিয়ে যাতায়াতের সময় বুঝে উঠতে পারিনা রাস্তার কোন পাশ দিয়ে যাবো।যাওয়ার সময় মনে হয় যেন কোন ছোট খাটো পুকুরের উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদেরতো ভোগান্তি হচ্ছেই সাথে ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদেও নান ধরনের সমস্যা হচ্ছে যাতায়াত করতে।স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদের দাবী এ রাস্তাটি যেন দ্রুত সংস্কার করা হয়।

এ পথ দিয়ে যাতায়াতকারি এক যাত্রী করিম ব্যাপারি রাস্তাটির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ভাই আর বইলেন না।একেতো ঝাকুনি আর মনে হয় রাস্তার মাঝ খানে পুকুর বানানো হয়েছে মাছ চাষ করার জন্য। আমরা চেয়ারম্যান মেম্বারদের ভোট দিয়ে পাশ করিয়েছি কি এ জন্য এরকম পুকুর নামের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার জন্য।

ভোটের সময় তো কত কথাই বলে চেয়রাম্যান মেম্বাররা।আর এখন আমাদের যাতায়াতের সমস্যা দেখার কেউ নেই।আমরা আমাদের বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় বাচ্চারা যেতে চায়না এই রাস্তাটি দিয়ে। আমরা দ্রুত রাস্তাটির সংস্কারের দাবী জানাই।

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের চর-মুক্তারপুর এলাকায় এক টানা ৪ দিনের বৃষ্টির কারনে খানা-খন্দের রাস্তার জলাবদ্ধতা থেকে ছোট ছোট স্কুলের শিশুদের কোলে করে এ ভাবেই সারাদিন রাস্তা পার করেছেন এটিএসআই আকবর। মুন্সীগঞ্জ জেলা ট্রাফিক পুলিশ এই মহৎ কাজটি করেছেন তার তার পেশাগত দায়িত্ব বোধ থেকে।এ প্রসঙ্গে সিরাজদিখান উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন জানান, যত দ্রুত সম্ভব এ রাস্তাটির সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২৬শে জুলাই, ২০১৮ ইং/বিকাল ৫:০১