২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | দুপুর ২:১৭

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানার হস্তক্ষেপে গুচ্ছ গ্রামে নির্মান হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

 

শেখ মোহাম্মদ রতন, ষ্টাফ রিপোর্টার : মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ঝঃরভঃ-২-তাদের সি.ডি.সি এর দরিদ্র গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় হিসেবে পূর্ব শিলমান্দিতে জেসমিন নামে একজন নারী বিগতদিনে শিশুদের শিক্ষাদান করেছেন। কিন্তু এক সময় এই প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়।এরপরও জেসমিন শিক্ষা অনুরাগী হিসেবে তার বসত ঘরে শিক্ষা প্রদান করে আসছিলেন।

পূর্ব শিলমান্দিতে পশ্চাতমূখি শিশু শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব সেখানে শিক্ষার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গুচ্ছ খালের উপর সেতুর জন্য জায়গার বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানার সাথে আলাপ- আলোচনা করছেন বলে মুন্সীগঞ্জ পৌর-মেয়র গুচ্ছ গ্রামবাসী ও সাংবাদিকদের জানান।

সরেজমিনে গুচ্ছ গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, সেখানে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।সেখানকার শিশু শিক্ষার্থীরা সাঁকো পাড় হয়ে পূর্ব শিলমান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসে পড়াশোনা করে থাকে।মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার গুচ্ছ সাকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে গ্রামের কোমলমতি শিশুরা বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছে।

পূর্ব শিলমান্দির ওপারের গুচ্ছ নামের খালটির উপরে তৈরী হয় বাশেঁর সাকোঁ দিয়ে।এ সাকোঁর ওপারে গুচ্ছ গ্রামটি মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কিছু অংশ ও ৯ নং ওয়ার্ডেও বৃহত্তর অংশ নিয়ে গঠিত।তবে জরুরী ভিত্তিতে সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সেতু হওয়া প্রয়োজন। পূর্ব শিলমান্দিরের গুচ্ছ খালের ওপরে কবে সেতু নির্মান হতে পারে-?

এমন প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা বলেন, গুচ্ছ খালের উপরে কবে বাশের সাকোঁর স্থলে সেতু নির্মান করা হবে সে বিষয়টি তার জানা নেই।তবে কখনো যদি এই খালের ওপরে যদি সেতু নির্মিত হয় তবে এখানকার কোমলমতি স্কুল শিক্ষাথীরা ও সাধারণ দিন মজুর মানুষ অনেকটাই উপকৃত হবে।

তবে এলাকাবাসী ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের সাথে দেখা করে তাদের দাবি জানান।এর প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা তার দফতরের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন গুচ্ছ গ্রামের আশপাশ এলাকায় কোন খাস জমি আছে কিনা।খাস জমি পাওয়া গেলেই সেখানে গড়ে তোলা হবে একটি পূণাঙ্গ প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সেতু ও শিক্ষার প্রতি গুচ্ছ গ্রামবাসীর লেখা-পড়ার আগ্রহ দেখে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব স্থানীয়ভাবে শিশুদের পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।এই জন্য মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার টি.আর খাত থেকে জেসমিনকে ইতোমধ্যে এক লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে পৌর-মেয়র জানান।

পরবর্তিতে আরো ১ লাখ টাকা তাকে দেয়া হবে বলেও অঙ্গিকার করেন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লব।তিনি গুচ্ছ খালে গুচ্ছ গ্রামে যাতায়াতের জন্য বাশেঁর সাকোঁর জায়গায় সেতু তৈরীসহ উন্নয়ন মুলক কাজে অতি দ্রুত হস্থক্ষেপ নিবেন বলে অঙ্গিকার করেছেন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফয়সাল বিপ্লব।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২৭শে জুলাই, ২০১৮ ইং/দুপুর ১২:১২