২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:২১

রিক্সা চালিয়ে ছেলেকে আর অনার্স পড়াতে পারছেন না আমিরুল

 

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ শহরের রিক্সা চালক আমিরুলের বুকের ৬টি হাড় ভাঙ্গা। দুর্ঘটনায় তার পঙ্গু জীবন। বেঁচে থাকার তাগিদে এ অবস্থায় তিনি রিক্সা চালান। স্ত্রী রিতা খাতুনও কিডনি ও হার্টের রোগী। দুইজন মিলে মাসে প্রায় ৬/৭ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। সংসারে তিনিই একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ।

ছেলে অনার্স পড়েন ঝিনাইদহ সরকারী কেসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। মেয়ে দশম শ্রেনীর ছাত্রী। সংসার চালাতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। রিক্সা চালিয়ে কোন কোন দিন মালিক ভাড়ায় দিতে পারেন না। ঝিনাইদহ শহরের ব্যাপারীপাড়ার মৃত শেখ আব্দুস সাত্তারের ছেলে আমিরুল ইসলাম। ৪৬ বছর বয়সে তার শরীরের বৃদ্ধ’র ছাপ।

ডায়াবেটসিসহ নানা রোগের কারণে মালিকরা ভাল রিক্সাও তারা তাকে দেন না। ফলে পুরানো জং ধরা রিক্সার প্যাডেলেই ঘুরছে আমিরুলের ভাগ্যের চাকা। ব্যাপারীপাড়ার ওয়ার্ড কমিশনার সাইফুল ইসলাম মধু জানান, আমিরুল খুবই হতদরিদ্র মানুষ। তার নিজস্ব একটা রিক্সা থাকলে কোন রকম দিনটা চালিয়ে নিতে পারতো। আমিরুল জানান, চারজনের সংসার চলে রিক্সার উপর। প্রতিমাসের ওষুধ, ছেলে মেয়ের পড়ালেখা ও ঘরাভাড়া দিতে অসুস্থ শরীর নিয়ে তিনি রাত দিন রিক্সা চালান ঝিনাইদহ শহরে।

অর্থের অভাবে একমাত্র ছেলের অনার্স পড়াও বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তিনি দুই সন্তানের পড়ালেখা করানোর জন্য সমাজের দানশীল ও বিত্তবানদের কাছে একটি রিক্সা কেনার আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন।

আমিরুলের সাথে যোগাযোগ ও আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন বিকাশ নং ০১৯৬৬-৭৮৩৫৫৬।

 

 

কিউএনবি/সাজু/২৫শ জুলাই,২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৭:১৭