২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:৩৪

শ্রমিকদের মুজুরী বৃদ্ধির দাবীতে লালমনিরহাটে বাফার সার গোডাউনে তালা বিসি আইসি সার ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন

 

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না,লালমনিরহাট প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) -এর অধীনে সারাদেশের সার ব্যবসায়ীরা ১২ জুলাই থেকে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগরে বাফার গুদাম থেকে ইউরিয়া সারের সরবরাহ না পেয়ে চিন্তিত।গোডাউনের পঞ্চাশ জনের তালিকাভুক্ত শ্রমিক যথোপযুক্ত মজুরী পাচ্ছেন না বলে সার লোড করতে অস্বীকার করেন এসর শ্রমিকরা।

প্রাপ্ত সুত্রে জানা যায়, বগুড়া থেকে নতুন শ্রমিক নিয়োগ করা ঠিকাদার রুবেল ইসলাম এক টন সার ব্যবহারের জন্য ১৮ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শ্রমিকরা এক টন সার লোড আনলোডের জন্য ৫০ টাকা করে দাবী করেন। বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা তাদের কাজে যোগ দেবে না সুত্রটি জানিয়েছেন।

বাফার গোডাউনের শ্রমিক নুর ইসলাম বলেন, লোড আনলোডের জন্য সরকারের দেয়া মুজুরীর হার সন্তোষজনক হলেও টেন্ডারে ঠিকাদাররা কম দরে কাজটি পায়। এ কারনে তারা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার যদি টেন্ডার না করেই সরাসরি আমাদের পরিচালনা করে তবে এটি আমাদের জন্য ভালো হতো।

মাহেন্দ্রনগর বাফার গোডাউনের লোড-আনলোড মজুদ সংস্থা এসোসিয়েশনের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাবু জানান, যতদিন তাদের দাবী পূরণ হবে না ততদিন তারা তাদের কাজে অংশ নেবেন না।

লালমনিরহাটের সার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল হাকিম বলেন, শ্রমিকদের কারনে উদ্ভোব পরিস্থিতির জন্য তারা অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

বাফার গোডাউনের শ্রমিকরা আনলোডের ন্যায্য মুজুরী থেকে বঞ্চিত হওয়ায় এবার তারা ইউরিয়া সারের কোন সরবরাহ পাই নি।যে কারণে এবার ইউরিয়া সার তারা তাদের গুদামে নিতে পানেন নি।বিষয়টি তারা বিসিআইসি এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোন উপকারে আসে নি বলে তিনি জানান।

মহেন্দ্রনগর বাফার গোডাউনের বিসিআইসির নির্বাহী প্রকৌশলী হানিফ মিয়া বলেন, নতুন ঠিকাদার রুবেল তার কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গ্ডোাউনের লোড-আনলোডিং কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে কোনও শ্রমিকের পারিশ্রমিকের বিষয়ে প্রকৌশলী কোন রকম আশ্বাস দিতে পারেন না।

তিনি বিষয়টি তার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন এবং বিসিআইসি পরিচালনা কমিটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রকৌশলী আরও বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে তার বাফার গোডাউনে ২১ হাজার টন ইউরিয়া সার রয়েছে।

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/১৭ই জুলাই, ২০১৮ ইং/রাত ৮:১৭