১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৬:৪৮

সোনা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বিমান কর্মকর্তা কারাগারে

 

ডেস্কনিউজঃ সোনা চোরাচালান মামলায় সাময়িক বরখাস্ত থাকা বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তা মোমেন মোকশেদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। ২০১৩ সালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে।

রোববার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মোমেন মোকশেদ।

আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাবলু।

মামলার নথি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনজীবী লাবলু সারাবাংলাকে জানান, ২০১৩ সালের ১ নভেম্বর দুবাই থেকে এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন আলাউদ্দিন চৌধুরী।

ওইদিন লাগেজ হারিয়ে গেছে অভিযোগ করে তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। পরদিন বিমানবন্দরের ‘হারানো ও প্রাপ্তি’ শাখায় আলাউদ্দিনকে নিয়ে হাজির হন মোমেন মোকশেদ। আলাউদ্দিনের লাগেজটি নিয়ম বর্হিভূতভাবে ছাড় করাতে চাইলে স্ক্যানিং করে তাতে ২৫টি সোনার বার পাওয়া যায়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন মোমেন মোকশেদ ও আলাউদ্দিন।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর নগরীর পতেঙ্গা থানায় স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে মামলা করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক এইচএম আখতারুজ্জামান ২০১৬ সালের ১৬ জুন সাত জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে সরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আসামি করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে স্বর্ণ পাচারকারীকে বাঁচাতে মিথ্যা জব্দ তালিকা তৈরি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগপত্রে যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী মোমেন মোকশেদ, কাস্টমসের সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, বিমানের ট্রাফিক হেলপার একেএম নূরুদ্দিন, আনসারের সহকারী প্লাটুন কমাণ্ডার ইলিয়াস উদ্দিন, আনসার সদস্য মাহফুজার রহমান ও শাহিন মিয়া এবং দুবাই প্রবাসী আলাউদ্দিন চৌধুরী।

 

কিউএনবি/আয়শা/১৫ই জুলাই, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৩৪