২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৫:১১

সাতক্ষীরা ও ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

 

ডস্ক নিউজ : সাতক্ষীরা এবং ময়মনসিংহে শনিবার দিবাগত রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন মাদক ব্যবসায়ী এবং একজন ডাকাত।

সাতক্ষীরা: পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের কয়ারবিল ব্রিজের পাশে শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ওয়ান শুটার গান, এক রাউন্ড গুলি ও বেশকিছু মাদকদ্রব্য।
নিহত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন- সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের আব্দুল গণির ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) ও কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৪০)। তারা দুজনেই আন্তজেলা মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশের দাবি। তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও রয়েছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই রিয়াদুল, এএসআই সুমন, এএসআই মাজেদুল এবং দুই কনস্টেবল রুবায়েত ও তুহিন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ জানান, শনিবার বিকালে মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার ও আবুল কালামকে কিছু গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ বাঁশদহা বাজার থেকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা স্বীকার করেন আজ (শনিবার) রাতে মাদকের একটি বড় চালান ভারত থেকে আসবে। তাদের কথার ওপর ভিত্তি করে মাদকের চালান উদ্ধারে যায় পুলিশ।
তিনি আরো জানান, বাঁশদহার কয়ারবিল এলাকায় পৌঁছাতেই আগে থেকে ওত পেতে থাকা তাদের সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি করে। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ: ভালুকা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ মুরাদ আকন্দ (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি মুরাদ একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত সর্দার। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার হাইজ্যাকের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল ইসলাম আহত হয়েছেন।
ভালুকা মডেল থানার ওসি ফিরুজ তালুকদার জানান, গোপনে খবর পান হাইজ্যাকের মোড় এলাকায় কয়েকজন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে সেখানে অভিযান চালালে ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুরাদকে পাওয়া যায়। তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মুরাদ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ৫টি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
 কিউএনবি/আয়শা/১৫ই জুলাই, ২০১৮ ইং/দুপুর ১:২১