২০শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১:৫৪

বিপদসীমা পেরিয়েছে ধরলার পানি

 

 

রাশিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম থেকেঃ  উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল পানির ¯্রােতে ভেঙে গেছে কুমরপুর বেইলি ব্রিজ। এতে ভেঙ্গে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।


৬ জুলাই শুক্রবার ভোর ৬টায় ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ৪৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে জেলার সদর উপজেলা ও ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদী অববাহিকার চরাঞ্চলের ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ে। এসব এলাকার ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে বেগুন, পটল, ঢ়েঁড়শ ও মরিচসহ নানা সবজি ক্ষেত। এসব এলাকার কাঁচা সড়ক তলিয়ে থাকায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।


ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা অববাহিকার সোনইকাজী, রামপ্রসাদ, যতিন্দ্র নারায়ণ, ঝাউকুটি, রাঙামাটি, খোচাবাড়ী, বড়ভিটা, বড়লই, চর বড়লই, ধনীরাম, কবির মামুদ, প্রাণকৃঞ্চ, চন্দ্রখানা, শিমুলবাড়ী, চড় গোরক মন্ডল, গোরক মন্ডলসহ ধরলার তীরবর্তী এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে অনেক ঘর-বাড়ি।


সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেছে কুমরপুর বেইলি ব্রিজ। এতে নাগেশ্বরী, ভ’রুঙ্গামারী এবং ফুলবাড়ি উপজেলার সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়াও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।


এ বিষয়ে কথা হলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয় বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৪৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও সেগুলো বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

 

কিউএনবি/বিপুল /৬ই জুলাই, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:২৯