১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ২:২৯

মনে সুখ না থাকলে যৌনতাতেও সুখ নেই

নিউজ ডেস্কঃ  সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রতিফলন মানুষের চেহারায় প্রকাশ পায়। সুস্থ শারীরিক সম্পর্ক মনে ভাল লাগার অনুভূতি বাড়িয়ে তোলে।

যে সম্পর্কে শারীরিক পরিতৃপ্তি নেই, সেখানে দুর্বল মুহূর্তে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আবার সুন্দর শারীরিক সম্পর্ক তখনই সম্ভব, যখন একে অপরের ইচ্ছার গুরুত্ব বুঝতে পারবে। নিজেদের ভাল লাগা, খারাপ লাগা বা চাহিদার পরস্পরকে দ্বিধাহীন ভাবে বলতে পারবে।

সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রতিফলন মানুষের চেহারায় প্রকাশ পায়। সুস্থ শারীরিক সম্পর্ক মনে ভাল লাগার অনুভূতি বাড়িয়ে তোলে। দৈনন্দিন জীবনে কোনও সমস্যা থাকলে তা শারীরিক সম্পর্ককে ব্যাহত করে। তাই সেই সমস্যা নিয়ে থেরাপিস্ট বা ডাক্তারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করা উচিত। সমস্যা যাই হোক, সেটা ঠিক মতো সমাধান করে ফেলাই সুস্থ দাম্পত্য জীবনের চাবিকাঠি।

শরীর আর মন, এই দুয়ে মিলেই মানুষ। যখন আমাদের মন ভাল থাকে না, তখন কোনও কাজ করতে ভাল লাগে না। আবার যখন শরীর ভাল থাকে না, তখন কোনও কিছুতেই মন বসে না। দাম্পত্য জীবনে এই দুইয়ের ভূমিকা অপরিহার্য। তবে শারীরিক সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে একটা আলাদা মাত্রা এনে দেয়। একটা উপমা দিয়ে এটা সহজ করে বলা যাক—

যাঁরা কাপকেক পছন্দ করেন, তাঁরা কি সেটা আইসিং দিয়ে বেশি পছন্দ করেন নাকি আইসিং ছাড়া। উত্তরটা সবারই জানা। যদিও আইসিং শুধুমাত্র একটা অংশ, তবুও এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক তেমনই শারীরিক ঘনিষ্ঠতাও দাম্পত্য জীবনের এতটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও শারীরিক ঘনিষ্ঠতার জন্য মানসিক মেলবন্ধনটাও জরুরি। যেখানে মানসিক মেলবন্ধন জোরালো, সেখানে শারীরিক পরিতৃ্প্তিও বেশি। সারা দিনের অনেক খারাপ লাগার অবসান ঘটে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমে। আবার সুস্থ শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই পারস্পরিক আসক্তি বাড়ে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাসের জায়গাটাও অনেক জোরালো হয়।

যে সম্পর্কে পরিতৃপ্তি যত কম, সেই সম্পর্কে নৈরাশ্য তত বেশি। ছোট ছোট বিষয়ে অনেক বেশি বিরক্তির উদ্রেক হয়। আবার শারীরিক তৃপ্তি থাকলে অনেক জটিল সমস্যা খুব ঠান্ডা মাথায় সামাল দেওয়া সম্ভব হয়।

কিউএনবি/নিল/১৪/জুন/21:17