১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৭:০৫

খাগড়াছড়িতে নদীর পানি বৃদ্ধিফলে বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহরূপ ধারণ করেছে।

এম.এ অামিন,খাগড়াছড়ি : টানা দুই দিনের প্রবল বৃষ্টি বর্ষণে পাহাড়ের নিম্মাঞ্চল ভয়াবহ বন্যায় খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও বাজারের কিছুঅংশসহ পানিতে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে জনবিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে। 
বন্যায় জেলায় অন্তত ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় পড়েছে। বিভিন্ন উচুঁ স্থানে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়েছে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ী।বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।রাতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি দেখা দিয়েছে।

প্রবলবর্ষণ অব্যাহত থাকায় চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনীর নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ার আশংকা করা যাচ্ছে। টানা প্রবল বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহরের মেহেদীবাগ, বাস টার্মিনাল, শান্তিনগর, সবজি বাজার, গঞ্জপাড়া, মিলনপুর, মুসলিমপাড়া, ফুটবিল, মাস্টার পাড়া, শহীদ কাদের সড়ক, অর্পনা চৌধুরী পাড়া, আপার পেড়াছড়া, ইসলামপুরের কিছু অংশ জিরোমাইলের কিছু অংশ, পানছড়ির নিম্মাঞ্চল, বিভিন্ন নিচু রাস্তা সমূহ পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

অপরদিকে, জেলার দীঘিনালা উপজেলার মেরুং বাজারের আড়াই শতাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পানির নীচে তলিয়ে গেছে।সেই সাথে মেরুং ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের শত শত পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।কিছু পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে সড়কে পানি ওঠায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক ও দীঘিনালা-লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে।জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
কিউএনবি/সাজু/১২ই জুন, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:২৭