২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৭:০২

সোনাগাজীতে সংঘর্ষের আশংকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল ইফতার মাহফিল স্থগিত

আবদুল্লাহ রিয়েল,ফেনী : সোনাগাজীতে সংঘর্ষের আশংকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল ইফতার মাহফিল স্থগিত করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটি। বুধবার সকালে এমন তথ্য জানিয়েছে বিশ্বস্থ সুত্রে।

মাহে রমজানকে উপলক্ষ করে সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটি ইফতারের সময়সূচি নির্ধারন করে তার ধরাবাহিকতায় গত সোমবার শুরু হওয়া ইফতার মাহফিল চরমজলিপুর ও বগাদানা সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু দুটি ইউনিয়নে চরম বিশৃংখলা ও অব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে এসব ইফতার মাহফিল করতে হয়েছে।

ইফতার মাহফিলগুলোতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল মোতালেব রবিনকে বক্তিৃতা দিতে না দেয়ায় আপত্তি জানালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন তাকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে রুঢ ভাষায় বললে হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। এর পরপরই উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদের লিডারের নামে স্লোগান দিতে থাতে থাকে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সবাইকে স্লোগান না দিতে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে বিষয়টি আরো জটিল হয়ে যায়। এক পর্যায় উপস্থিত লিডাররা কর্মীদের শান্ত হতে বললে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠে।

স্থগিতের কারন জানতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সোনাগাজী-দাগনভূঞা আসনে এমপি প্রার্থীদের মধ্যে শোডাউনের মনোভাব এই কারনে আমরা বিব্রত। তাই সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল ইফতার মাহফিল স্থগিত করা হয়েছে। তবে মঙ্গলকান্দি ও মতিগঞ্জ ইউনিয়ন প্রস্তুতি নিয়ে ফেলায় কোন রকমে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

স্থগিতের বিষয়ে জানতে এমপি প্রার্থী দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবীর রতন বলেন এরকম একটি বিষয় শুনছিলাম, আমার মনে হয় সোনাগাজীতে নেতৃত্বের দুর্বলতা। সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন আবুল বাশার ভাইর পক্ষের লোক। পোগ্রামে গিয়ে দেখা যায় বাশার ভাইর পক্ষেই বেশী সরব থাকেন। অণ্যদেও তেমন গুরুত্ব মনে করেন না।

আর স্থানীয় বক্তারা যখন বক্তৃতায় বলে দুঃসময়ে যারা পাশে ছিলনা তারা ভোট আসলে আনাগোনা বাড়িয়ে দেয়। আগামী নির্বাচনে যেন এমন ব্যাক্তিরা নোমিনেশন না পায়। এসব কথা শুনলে বাশার ভাইরা হতাশ হয়ে যায়। তাদের পক্ষে তেমন কোন সমর্থনও দেখা যায়না। এসব কথা স্থানীয় বক্তারা বলে আমরাতো বলি না। দাগনভূঞার সকল ইফতার কতো সুশৃংখল ভাবে হয়েছে। দাগনভূঞাতেও এমপি প্রার্থীরা ছিল। দাগনভূঞায় সমস্যা না হয়ে সোনাগাজীতে কেন হবে। নেতা-কর্মীদের সাথে সেন্টিমেন্ট হয়ে যায়, দাঁড়ায়ে যায় তাদের সাথে রুঢ় ভাবে কথা বলে। ওদেরকে স্বাভাবিকভাবে বুঝিয়ে বললেই হয়।

কিউএনবি/রেশমা/৩০শে মে, ২০১৮ ইং/বিকাল ৩:২৯