১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:১৯

সরিষাবাড়ীতে বাদাম উৎপাদনে সন্তুষ্ট কৃষক

 

জাকারিয়া জাহাঙ্গীর,সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে এবার বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে।বাদামের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া থাকায় বিগত বছরগুলোর তুলনায় কৃষকরা এ বছর ভালো ফলন তুলতে পারছে।

এছাড়া দাম ভালো হওয়ায় নদী ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।তবে কোনো কোনো কৃষক বাদাম উৎপাদনে স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের গাফিলতির অভিযোগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার গভীর ও অবহেলিত চরাঞ্চল হিসেবে পরিচিত পিংনা ইউনিয়নের রসপাল এবং আওনা ইউনিয়নের স্থল ও জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাট এলাকায় বাদাম তোলার হিড়িক চলছে। বেলে মাটি বাদাম চাষের জন্য উর্বর হওয়ায় যমুনার জেগে ওঠা এ সব অঞ্চলে চৈত্র মাস নাগাদ বাদাম বীজ বপন শুরু হয়। মাত্র দুই-আড়াই মাসেই বাদামের ফলন তোলা সম্ভব হয়।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা জমিতে বাদাম চাষে মাত্র পাঁচ-ছয় হাজার টাকা খরচ হয়। খরচ বাদে বিঘা প্রতি আট-নয় হাজার টাকা লাভ সম্ভব। ফলন ভালো ও বাজারের চাহিদা থাকায় কৃষক বাদাম চাষে সন্তুষ্ট। নদী ভাঙনে শিকার সহস্রাধিক কৃষক বাদাম চাষে লাভবান হয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মওসুমে যমুনার চরাঞ্চলে ১০০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় বিগত মওসুমের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। বাদাম মানুষের খাদ্য, পুষ্টি ও ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ করে। এছাড়া বাদাম গাছের কচিপাতা গবাদি পশুর জন্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য।

পিংনা ইউনিয়নের বাদাম চাষি ওমর ফারুক বলেন, ‘তিনি ১৫ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। অন্য ফসলের চেয়ে বাদাম চাষে খরচ কম ও বাজারে দাম ভালো পেয়ে তিনি খুশি।’ আওনা ইউনিয়নের ফজর আলী অভিযোগ করেন, ফলন ভালো হলেও কৃষি অফিস থেকে কেউ কোনো খোঁজ নেয়নি।’

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম লিটন জানান, ‘অভিযোগটি পুরোপুরি সত্য নয়। সব ধরণের আবাদেই কৃষি অফিস থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হয়। বাদামেও করা হয়েছে।’

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২৯শে মে, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৭:২৩