২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:৫১

মরিচের দাম না পাওয়ায় হাসি নেই কৃষকের মুখে

 

কৃষিঃ কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় মরিচের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই শরীয়তপুর ও কুড়িগ্রামের কৃষকের মুখে। বাজার মূল্য কম থাকায় উৎপাদন ব্যয় ওঠা নিয়ে চিন্তিত চাষীরা। মরিচের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় মরিচ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক।

পদ্মা মেঘনা বেষ্টিত শরীয়তপুরের বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চল মরিচ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মরিচের ফলনও হয়েছে ভালো। কৃষকের হিসেব মতে এবছর হেক্টর প্রতি শুকনা মরিচ উৎপাদন হয়েছে প্রায় দেড় মেট্রিকটণ আর কাঁচা মরিচ সারে সাত মেট্রিকটণ। ভালো ফলনের পরও হাসি নেই কৃষকের মুখে। নিন্মমুখী বাজার দরে লোকসানের মুখে পরেছে জেলার মরিচ চাষীরা। লাভ তো দুরের কথা উৎপাদন ব্যয় ওঠা নিয়ে নিয়ে শকিংত তারা।
একই অবস্থা কুড়িগ্রামেও। জেলার বিভিন্ন পাইকারী বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০ টাকায়। ফলে আসন্ন রমজানে মরিচ চাষ করে লাভবান হবার বদলে উল্টো লোকসানের শঙ্কা জেঁকে বসেছে।

মানিকগঞ্জে মরিচের বাম্পার ফলন হলেও হঠাৎ টানা ঝড় বৃষ্টিতে মরিচ গাছ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষীরা। তবে পাইকারী বাজারে দাম ভালো পেলে কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে যাবে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট, ভেদরগঞ্জ, নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চলের ৮ হাজার ১শ ৫০ হেক্টর কুড়িগ্রামে ৪৮১ হেক্টর এবং মানিকগঞ্জে ৫ হাজার ৪শ ৬০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে।

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/ ১৩.০৫.১৮/ সকাল ৭.৪৮