২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:৪৮

‘রমজানের সুফল পেতে ইমান ও আকিদার বিশুদ্ধতা জরুরি’

 

ধর্ম ও জীবন ডেস্কঃ করুণাময়ের এক বিশেষ উপহার মাহে রমজান। পবিত্র রমজান মহিমান্বিত, কল্যাণময়, বরকতপূর্ণ ও ঘটনাবহুল মাস। রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম রুকন বা মৌলস্তম্ভ। রোজা ও রমজানের ফাজায়েল-মাসায়েল এবং তাৎপর্য বিষয়ক জ্ঞানার্জন করা সব মুসলিম নর-নারীর কর্তব্য। এ মহান কর্তব্য আদায়ে সহায়তার উদ্দেশ্যে কাতার আলনূর কালচারাল সেন্টারের উদ্যোগে গত ২৭ এপ্রিল দোহার বিন জায়িদ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় ‘ইবাদতের বসন্ত মাহে রামাজান’ শীর্ষক আলোচনা ও কর্মশালা।

সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা ইউসুফ নূরের সভাপতিত্বে প্রাণবন্ত এ কর্মশালার বিভিন্ন পর্বে অংশ নেন মাওলানা শাহাদত হোসাইন, প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন, মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, মুফতি আহসান উল্লাহ, হাফেজ লোকমান, নাসির উদ্দিন, মুস্তফা কামাল, প্রকৌশলী মুনিরুল হক ও রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ। কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ জুনাইদ। মহিলাদের উদ্দেশ্যে আলোচনা করেন মাওলানা সারা মাহমুদ আর শিশু কর্নার পরিচালনায় ছিলেন অধ্যাপক আমিনুল হক।

মুখ্য আলোচনায় মাওলানা ইউসুফ নূর বলেন, ‘রমজানকে স্বাগত জানিয়ে আলোচনার আয়োজন করা মহানবীর (সা.) সুন্নাত।  সিয়াম সাধনা ও আধ্যাত্মিকতার বিশুদ্ধ অনুশীলন দ্বারা এ মাসে প্রতিটি মুমিন অর্জন করতে পারে ইহ-পরকালীন সাফল্য। তবে এর জন্য প্রয়োজন সঠিক ইলম ও যথাযথ আমল এবং পুণ্যবানদের সাহচর্য।  রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি রমজানে ইমানের সাথে সওয়াবের প্রত্যাশায় রোজা রাখবে তার পূর্বের পাপরাশি মার্জনা করে দেওয়া হবে।’

‘অতএব রোজা ও রমজানের সুফল লাভের জন্য ইমান ও আকিদার বিশুদ্ধতা জরুরি। শিরক ও ইসলামি বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক সব চিন্তাধারা ও মতবাদ বর্জন না করলে প্রকৃত ইমানদার ও খাঁটি রোজাদার হওয়া সম্ভব নয়।’রোজা ও রমজান বিষয়ক আহকাম ও বিধিবিধান উপস্থাপন শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয় এবং আগামী ১১ মে ‘রমজান ও ইমান’ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতার ঘোষণা দেয়া হয়। নারী-পুরুষ সবাইকে এতে অংশগ্রহণের জন্য সেন্টারের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে।

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/ ০৭.০৫.১৮/ সকাল ১০.৩৫