ব্রেকিং নিউজ
২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:১৪

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আশুড়ার বিলে ৫শ বিঘা বোরো ধান পানির নিচে

 

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) এম এ সাজেদুল ইসলা(সাগর) : চলতি বোরো মৌসুমে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আশুড়ার বিলে ৫শ বিঘা কাঁচাপাকা বোরো ধান পানির নিচে। নৌকা দিয়ে পানির নিচে থাকা ধান উত্তোলন করতে চেষ্ঠা করছে ভুক্তভোগী কৃষকেরা। জেলার সর্ববৃহৎ শুকনো মৌসুমে ধান চাষ আর বর্ষা মৌসুমে দেশী মাছ চাষের উর্বর বিলের নাম আশুড়ার বিল।

এলাকার শত শত ক্ষুদ্র প্রান্তিক শ্রেণীর চাষীরা বাড়তি সেচ দিয়ে গোটা বিলে চাষ করেছে বোরো ধান। বর্তমানে প্রবল বর্ষন আর ধেয়ে আসা পানিতে ভরে গেছে আশুড়ার বিল।এর কারণে কাঁচাপাকা ৫শ বিঘা জমির ধান কর্তন নিয়ে বিপাকে পড়েছে উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষকেরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, শুধু শুকনো মৌসুমেই অল্প শ্রম বিনিয়োগ করলেই বিঘা প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ মণ ধান উৎপাদন হয় এ বিলে। রাসায়নিক সারও তেমন ব্যবহার করতে হয় না। গোটা বিলে কৃষি ফসল উৎপাদনের উর্বর ভূমি। বর্তমানে প্রবল বর্ষনের পানিতে নিচে পড়েছে কৃষকের কষ্টের উৎপাদিত বোরো ধান।

এ ধান উৎপাদন করে কৃষকেরা গোটা বছরের খাবারের চাল উৎপাদন করে। ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রউফ জানান, বিলটি এলাকার হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার দৃষ্টান্ত। কৃষক তহিদুল ইসলাম জানান, পানির নিচে থাকা কাঁচাপাকা ধান কেটে নিতে চেষ্ঠা করছে।

এ বিষয়ে ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ব্লকের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান মুঠোফোনে জানান, তিনি বিষয়টি দেখে আসবেন বলে জানান। এ বিষয়ে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, পানির নিচে থাকা ধানগুলো দ্রুত উত্তোলন করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য গত বছর পার্বতীপুর থেকে কয়লাখনির থেকে আসা পানিতে ওই বিলের এক হাজার বিঘা জমি পানিতে নিচে পড়ে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিল। ভুক্তভোগী কৃষকেরা তাদের কষ্টের উৎপাদিত ধান ঘরে তুলে নিতে অবিরাম চেষ্টা চালাচ্ছে।

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/৬ই মে, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৭:৫৬